kalerkantho


তিস্তার পানি প্রত্যাহারে বিপর্যয়ের মুখে কৃষি ব্যবস্থা

নীলফামারী প্রতিনিধি   

২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ২৩:৫২



তিস্তার পানি প্রত্যাহারে বিপর্যয়ের মুখে কৃষি ব্যবস্থা

তিস্তা ও কৃষি বাঁচাও আন্দোলন এবং বাসদ (মাকর্সবাদী) জেলা শাখার যৌথ আয়োজনে আজ রবিবার সকাল ১১টার দিকে নীলফামারী টাউন ক্লাব মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিস্তাসহ সকল অভিন্ন নদীর পানির নায্য হিস্যার দাবি জানানো হয়।

এ সময় তিস্তা ও কৃষি বাঁচাও আন্দোলনের সংগঠক অধ্যাপক তরিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় বক্তৃতা করেন বাসদ কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, জল-পরিবেশ ইনিস্টিটিউটের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ম. ইনামুল হক, সহ আরও অনেকে।

বক্তারা বলেন, ভারত আন্তর্জাতিক আইন ও রীতি নীতি লঙ্ঘন করে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে চতুর্থ বৃহত্তম তিস্তা নদীকে শুকিয়ে মারছে। উজানে ২৭টি বাঁধ নির্মাণ করে তিস্তা নদীকে ২৭ টুকরা করে তারা নিজের দেশের রাজস্থানসহ বিভিন্ন রাজ্যে পানি নিয়ে যাচ্ছে। তাদের একতরফা পানি প্রত্যাহারের ফলে আমাদের দেশে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে কৃষি। হাজার হাজার মাঝি ও মৎসজীবী পরিবারের মধ্যে দেখা দিয়েছে হাহাকার। বিপন্ন হয়েছে পরিবেশ।

তারা বলেন, এক সময়ে শুষ্ক মৌসুমে তিস্তায় ১৪ হাজার কিউসেক পানি প্রবাহিত হতো। ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারে ফলে তা নেমে আসে চার হাজার কিউসেকে। এখন আর তাও নেই।

শুষ্ক মৌসুমে মাত্র আড়াইশ থেকে তিনশ কিউসেক পানি প্রবাহ হচ্ছে। এতে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে আমাদের দেশের বৃহৎ সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যরেজ। আর ভারত একতরফা পানি প্রত্যাহারে সফল হয়েছে আমাদের দেশের স্বাধীনতার পর থেকে ক্ষমাসীনদের নতজানু নীতির কারণে।


মন্তব্য