kalerkantho


বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে আইনী ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৯:০১



বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে আইনী ব্যবস্থা

যে সকল বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সরকারের ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি তাদের বিরুদ্ধে  নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি বন্ধ ও বিভিন্ন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। বধুবার দুপুরে আশুলিয়ার দত্তপাড়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র ষষ্ঠ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ইউনিভার্সিটি চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের প্রতিনিধি হিসেবে সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, দেশ যখন উন্নয়নের লক্ষে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন একদল স্বাধীনতা বিরোধী ইসলামের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে কিছু মেধাবী শিক্ষার্থীকে জঙ্গী কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত করে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। এ ধরনের শিক্ষার্থীদের বিপদগামী থেকে ফেরাতে সবাইকে সচেষ্ট থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বেসরকারি ৯৫টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, তাদের মধ্যে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় নিজস্ব ক্যাম্পাসে যেতে পারেনি। যারা মুনাফার লক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় চালাতে চায়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা ও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারা বেশি দিন এভাবে চলতে পারবে না। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন পার্থক্য করেনি। সকল শিক্ষার্থীদের জন্যই মানসম্মত শিক্ষা ও সকল সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে চান তিনি।

নিজস্ব জমিতে স্থায়ী ক্যাম্পাসে পূর্ণদ্যোমে একাডিমিক কার্যক্রম শুরু করায় এবং আইসিটি ভিত্তিক তাদের একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনা করায় শিক্ষামন্ত্রী ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তাদের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

সমাবর্তনে ৩ হাজার ৪৭৩ জন নবীণ গ্র্যাজুয়েটকে সনদ প্রদান করেন শিক্ষামন্ত্রী। এবারের সমাবর্তনে চারজন গ্র্যাজুয়েটকে চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক প্রদান করেন। উল্লেখ্য, ২০০২ সাল থেকে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ১৭টি বিভাগে ১৬ হাজার শিক্ষার্থীকে গ্র্যাজুয়েশন প্রদান করেছে।

সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, ভারতের ভিআইটি ইউনিভার্সিটের প্রতিষ্ঠাতা ও চ্যান্সেলর এবং এডুকেশন প্রমোশন সোসাইটি ফর ইন্ডিয়ার সভাপতি ড. জি. বিশ্বনাথান, ডিআইইউ ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলাম এবং ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্ট্রিজ এর চেয়ারম্যান মোঃ সবুর খান।


মন্তব্য