kalerkantho


এমপি লিটন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী কাদের খান

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১১:৪৪



এমপি লিটন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী কাদের খান

রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক বলেছেন, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগের এমপি মনজুরুল ইসলাম লিটন হত্যার মূল পরিকল্পনাকারী জাতীয় পার্টির (জাপা) কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য কর্ণেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খান। আজ বুধবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। এর আগে লিটন হত্যা মামলায় আটক আবদুল কাদের খাঁনকে গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আনা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে তাকে বগুড়া থেকে গাইবান্ধা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে আনা হয়। মঙ্গলবার বিকেলে বগুড়া জেলা শহরের কাদের খাঁনের পরিচালিত গরীব শাহ ক্লিনিক থেকে তাকে আটক করা হয়।

আটক কর্ণেল (অব.) ডা. আবদুল কাদের খাঁন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি। তার বাড়ি সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম ছাপরহাটি (খাঁনপাড়া)। তিনি ওই গ্রামের মৃত্যু নয়ান খাঁন ছেলে। কাদের খাঁন স্ব-পরিবারের বগুড়া জেলা শহরের গরীব শাহ ক্লিনিকের চার তলা ভবনের ওপর তলায় বসবাস করতেন। জেলা পুলিশ সুপার আশরাফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লিটন হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে কর্ণেল কাদের খাঁনকে আটক করা হয়েছে। বগুড়া থেকে তাকে গাইবান্ধা নিয়ে আসা হয়েছে।

রাতে তিনি পুলিশ হেফাজতে থাকবেন। এ বিষয়ে বুধবার সকালে প্রেস ব্রিফিং করে বিস্তারিত জানানো হবে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) ভোর থেকে বগুড়া শহরের মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের পূর্বপার্শ্বে অবস্থিত এ কাদের খাঞনের পারিচালিত গরীব শাহ ক্লিনিকটি ঘিরে রাখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। এর আগে, ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে শাহবাজ (মাস্টাপাড়া) এলাকায় নিজ বাড়িতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে নিহত হন এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন। এ ঘটনায় লিটনের বোন তাহমিদা বুলবুল বাদি হয়ে অজ্ঞাত ৪-৫ জনকে আসামি করে ১ ডিসেম্বর সুন্দরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় কর্ণেল আবদুল কাদের খাঁনসহ ১১০ জনকে আটক করে পুলিশ। এরমধ্যে ২৪ জনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়।


মন্তব্য