kalerkantho


রাজীবপুরে আটক ছয় চোরকে ছেড়ে দিলেন চেয়ারম্যান!

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি   

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৫:০৭



রাজীবপুরে আটক ছয় চোরকে ছেড়ে দিলেন চেয়ারম্যান!

কুড়িগ্রামের রাজীবপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ বিচ্ছিন্ন নয়াচর এলাকা থেকে চিহ্নিত ছয় গরুচোরকে আটক করে এলাকাবাসী।

চোরের দলটি ১৫ দিন আগে নয়াচর পশ্চিমপাড়া থেকে ছয়টি গরু চুরি করে পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ রয়েছে। ব্রহ্মপুত্র চরে ফের গরু চুরি করতে গেলে চরের মানুষ জোটবদ্ধ হয়ে চোরদলটিকে আটক করে ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে নিয়ে যায়। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন ৭০ টাকা গ্রহণ করে চার চোরকে ছেড়ে দিয়ে বাকি দুইজনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ মঙ্গলবার ভোররাতে উপজেলার মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম নয়াচর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশের হাতে সোপর্দ করা দুই চোরকে ঢুষমারা থানা পুলিশ আজ মঙ্গলবার কুড়িগ্রাম জেলহাজতে পাঠিয়েছে।

এ প্রসঙ্গে মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন দাবি করেন, ছেড়ে দেওয়া চার চোরের বিরুদ্ধে সঠিক তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। ৭০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের কথা তিনি অস্বীকার করেছেন। জনতার হাতে আটক ছয় গরুচোরের মধ্যে পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়েছে নূর মোহাম্মদ (৪৫) ও  মোকবুল হোসেনকে (৫০)। আর আবুল সরকার (৪৬), আব্দুস ছাত্তার (৩৫), মোসলেম উদ্দিন (৪০) এবং আমজাদ হোসেন (৪২) নামের চারজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

বিষয়টি জনমনে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।

একই ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য আলম মিয়া বলেন, "আটককৃতরা এলাকায় গরুচোর হিসেবে পরিচিত। ওই ছয় চোর ১৫দিন আগেও নয়াচর পশ্চিমপাড়া থেকে ছয়টি গরু চুরি করে যার মূল্য আনুমানিক চার লাখ টাকা। চুরির পর থেকেই তারা পালিয়ে ছিল। আমরা চরের মানুষ প্রতিরাতেই চোর ঠেকাতে পাহাড়া দিয়ে থাকি। "
ঘটনার সময় চোরের দলটি গরু চুরির জন্য নয়াচর পশ্চিমপাড়ায় গেলে পাহারাদারদের চিৎকারে চরের মানুষে এগিয়ে এসে তাদেরকে আটক করে। এরপর  আটক ছয় চোরকে চেয়ারম্যানের কাছে জমা দেওয়া হয়।

এ ব্যাপারে ঢুষমারা থানার ওসি মাসুদ মোল্লা বলেন, "আমাদের কাছে দুজনকে সোপর্দ করা হয়েছে। সেই দুজনের বিরুদ্ধে মামলা করে তাদেরকে জেলহাজতে পাঠানো হয়।


মন্তব্য