kalerkantho


হাফিজুর আমৃত্যু শ্রমিকদের স্বার্থে লড়াই করেছেন : মেনন

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৮:৩১



হাফিজুর আমৃত্যু শ্রমিকদের স্বার্থে লড়াই করেছেন : মেনন

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি এবং বেসরকারি বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন বলেছেন, সদ্য প্রয়াত হাফিজুর রহমান ভুঁইয়া আমৃত্যু শ্রমিক ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষের স্বার্থে লড়াই করেছেন।  

আজ মঙ্গলবার সকালে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে সদ্য প্রয়াত প্রখ্যাত শ্রমিক নেতা ও ওয়ার্কার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য হাফিজুর রহমান ভূঁইয়ার মরদেহে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

এর আগে সকাল ১০টায় তার মরদেহ ঢাকা থেকে খুলনায় আনা হয়।

তিনি আরো বলেন, হাফিজুর রহমান জিয়ার শাসনামলে সরকারি কলকারখানা ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেওয়ার চক্রান্তের বিরুদ্ধে সব সময় পাট, বস্ত্রকল শ্রমিকদের রুটি-রুজির আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নির্যাতন, দমন-পীড়ন, হুমকিতে কোন কিছুতেই তিনি শ্রমিকদের দাবি আদায় থেকে বিচ্যুত হননি। তাই তিনি খুলনাসহ সারা দেশের শ্রমিকদের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন।

প্রয়াত এই নেতার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় ওয়ার্কার্স পার্টি ছাড়াও জেলা ও মহানগর ১৪, আওয়ামী লীগ, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, সিপিবি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগ, ন্যাপ, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটি, নাগরিক ফোরাম, কৃষক লীগ, ছাত্রমৈত্রী, যুবমৈত্রী, জাতীয় কৃষক সমিতি, নারী মুক্তি সংসদসহ শতাধিক রাজনৈতিক দল, সংগঠন, পেশাজীবী সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান এমপি, অ্যাডভোকেট মোস্তফা লুৎফুল্লাহ এমপি, অ্যাডভোকেট টিপু সুলতান এমপি, ইয়াসিন আলী এমপি।

পরে প্রয়াত হাফিজুর রহমানের মরদেহ তার দীর্ঘদিনের কর্মস্থল প্লাটিনাম জুবলী জুট মিল মাঠে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর দ্বিতীয় জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। পরে দৌলতপুর শহীদ মিনার, ইস্টার্ন জুটমিলস শ্রমিক ময়দানে ও ফুলতলায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ফুলতলার ডেবুর মাঠে মরহুমের শেষ জানাজা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি শেষে উপজেলা সরকারি কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।


মন্তব্য