kalerkantho


নগরকান্দায় নিহত ১৩ জনের মধ্যে দুজনের পরিচয় শনাক্ত

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১১:৪৩



নগরকান্দায় নিহত ১৩ জনের মধ্যে দুজনের পরিচয় শনাক্ত

ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার গজারিয়ায় যাত্রীবাহী বাস ও কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষের পর গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহতদের মধ্যে দুজনের নাম-পরিচয় শনাক্ত করা গেছে। এরা হলেন কাভার্ড ভ্যানের চালক যশোরের আশা ইসলাম এবং গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার নিনজা গ্রামের ডা. মো. গোলাম রসুল।

ডা. গোলাম রসুল ঢাকার ধানমণ্ডি ইবনে সিনা হাসপাতালের চিকিৎসক এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনে নড়াইলে চেম্বার করতেন। এ ছাড়া হানিফ পরিবহনের চালক হেমায়েত ও হেলপার জুয়েল এবং অপর এক যাত্রী নুর জালালের নাম জানা গেলেও মরদেহ শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহগুলো ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে।

নিহত ডা. গোলাম রসুলের ছেলে আবু তালেব মো. সালাহউদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনার খবর শুনে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ছুটে আসি। মর্গে রাখা মরদেহগুলোর মধ্যে বাবার গলায় টাই এবং মুখের অবয়ব দেখে তাকে শনাক্ত করতে পেরেছি। তবে বাকি ১১ মরদেহ এখনো শনাক্ত করতে পারেননি তাদের স্বজনরা।

এ বিষয়ে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভারপ্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা. কামরুজ্জামান জানান, পুরো শরীর পুড়ে যাওয়ায় ১১টি মরদেহ শনাক্ত করার মতো অবস্থায় নেই। এখন ডিএনএ টেস্ট ছাড়া তাদের পরিচয় জানা যাবে না। আর আমাদের মেডিক্যালে ডিএনএ টেস্ট করা যায় না।

এটা ফরেনসিক বিভাগের কাজ, তাই ডিএনএ টেস্টের জন্য ঢাকায় পাঠাতে হবে।

ফরিদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. কামরুজ্জামান জানান, মরদেহগুলো প্রপার আইডেন্টিফিকেশন ছাড়া হস্তান্তর সম্ভব নয়। নাম-পরিচয় জানতে পারলে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এদিকে, দুর্ঘটনায় আহতদের মুকসুদপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে চলে গেছেন বলে জানা গেছে।

শুক্রবার রাত ১১টার দিকে খুলনা থেকে নড়াইলের লোহগড়া হয়ে হানিফ পরিবহনের একটি বাস ঢাকা আসার পথে ফরিদপুরের নগরকান্দায় একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। হানিফ পরিবহনের ওই বাসটিতে ৩৯ জন যাত্রী ছিলেন। আর বিপরীত দিক থেকে আসা পারভেজ ট্রান্সপোর্টের ওই কাভার্ড ভ্যানটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক হয়ে খুলনার দিকে যাচ্ছিল।

দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি ২টি উদ্ধার করে ভাঙ্গা হাইওয়ে থানায় রাখা হয়েছে।

 


মন্তব্য