kalerkantho


১৪৪ ধারা অব্যাহত

ফরিদপুরে সাংসদ ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ফরিদপুর    

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৮:২৮



ফরিদপুরে সাংসদ ও আওয়ামী লীগ সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে মামলা

ফরিদপুরের সদরপুরে গতকাল বৃহস্পতিবার ফরিদপুর ৪ আসনের স্বতন্ত্র সাংসদ  মুজিবুর রহমান ওরফে নিক্সন চৌধুরীর সমর্থকদের সঙ্গে সদরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ওই সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ ১০ জন আহত হন।

এদিকে, বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা থেকে উপজেলা সদর ইউনিয়নে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত জারি করা ১৪৪ ধারা অব্যাহত রয়েছে। আহত সাংবাদিক তোফাজ্জেল হোসেন টিটু বর্তমানে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

হামলায় আহত দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার সদরপুর উপজেলা প্রতিনিধি তোফাজ্জেল হোসেন টিটু বাদী হয়ে ওই রাতেই তিনজনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামিরা হলেন, কাজী রফিকুল ইসলাম (৪২), কাজী ইদ্রিস (৪৫) এবং উপজেলার সতেররশি গ্রামের আজম সিকদার (৪৩)। এদের মধ্যে রফিকুল ও ইদ্রিস উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমানের ভাতিজা।

মামলা দায়েরের সত্যতা নিশ্চিত করে সদরপুর থানার ওসি হারুন-অর-রশীদ জানান, আজ শুক্রবার বিকেল পর্যন্ত আসামিদের কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে আসামিদের  গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রোকসানা রহমান জানান, এলাকায় যে কোনো মূল্যে শান্তি-শৃঙ্খলা ও জানমাল রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। এ কারণে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য,গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় স্বতন্ত্র সাংসদ মজিবুর রহমান ওরফে নিক্সন চৌধুরী ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী শফিকুর রহমানের কথাকাটাকাটির ঘটনা ঘটে। এতে সভা শেষ করে দেওয়া হয়। পরে উপজেলা পরিষদের বাইরে দুই পক্ষের সমর্থকরা অবস্থান নেয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে লাঠিসোঁটা নিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষ চলাকালে দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার সদরপুর প্রতিনিধি তোফাজ্জেল হোসেন টিটুসহ (৩৫) ১০ জন আহত হন। এ ছাড়া টিটুর সঙ্গে থাকা ক্যামেরা, মুঠোফোন এবং মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় প্রশাসন  দুপুর ১২টার দিকে সদরপুর সদর ইউনিয়নে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি করে।

 


মন্তব্য