kalerkantho


'মেয়র মিরু ও তার ভাই মিন্টুই গুলি ছুড়ে শিমুলকে হত্যা করেছে'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৭:২৬



'মেয়র মিরু ও তার ভাই মিন্টুই গুলি ছুড়ে শিমুলকে হত্যা করেছে'

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর-এনায়তেপুর) আসনের সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপন আবারও অভিযোগ করে বলেন, ‘শাহজাদপুর পৌর মেয়র হালিমুল হক মিরু ও তার ভাই মিন্টুই সেদিন সংঘর্ষের সময় পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে সমকাল সাংবাদিক শিমুলকে প্রকাশ্যে শটগানের গুলি ছুড়ে হত্যা করেছে। আমরা এ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি মেয়র মিরু ও তার ভাই মিন্টুসহ সব অপরাধীর ফাঁসি চাই। ’ 

আজ শুক্রবার সকালে শাহাজাদপুর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে উপজেলা প্রেসক্লাবের আয়োজনে প্রয়াত সাংবাদিক শিমুলের স্ত্রী নুরুন্নাহারের হাতে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব এসেনশিয়াল ড্রাগস কম্পানির উৎপাদনকর্মী পদে নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠানে এমন অভিযোগ করেন এমপি স্বপন। একই সঙ্গে যেসব অপরাধী এখনও শিমুল হত্যাকাণ্ডের মামলায় অভিযুক্ত হয়নি তাদেরকে অবিলম্বে অভিযুক্ত করে তাদের ব্যবহৃত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অনুরোধ করেন তিনি।

সাংবাদিক শিমুল হত্যাকাণ্ডের মামলাটি দ্রুত অপরাধ দমন বিশেষ ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের দাবি জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নিজেই সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে বদ্ধ পরিকর। তাই আমরাও সাংবাদিকদের কোনও রকম ক্ষতি মেনে নেব না। ’ 

শিমুলের স্ত্রী ও ছেলে-মেয়েদের বাসস্থানের বিষয়েও দ্রুত প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন এমপি স্বপন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী শিমুলের স্ত্রীকে চাকরি দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।  

এর আগে গত ৪ ফেব্রুয়ারি শাহজাদপুর পাইলট স্কুল মাঠে শিমুল ও তার নানির জানাজা অনুষ্ঠানে শাহজাদপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাতের বক্তব্যের উদ্ধৃতি টেনে মিডিয়ার সামনে তিনি শিমুল হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে মিরু ও মিন্টুর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেছিলেন।

সেদিন পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেছিলেন, গত ২ ফেব্রুয়ারি শাহজাদপুর পৌর শহরের মনিরামপুরে মিরু ও তার ভাই মিন্টু পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শটগান দিয়ে সংঘর্ষকারীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে থাকে। মেয়র মিরু নিজেও তার শটগান দিয়ে ৫/৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন।

যার একটিতে শিমুল গুলিবিদ্ধ হন। পরদিন বগুড়া থেকে ঢাকায় নেয়ার পথে মারা যান শিমুল।  


মন্তব্য