kalerkantho


বাগেরহাটে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

বাগেরহাট প্রতিনিধি   

৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৩:৫৭



বাগেরহাটে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা

বাগেরহাটে শুরু হয়েছে পাঁচ দিনব্যাপী কৃষি প্রযুক্তি মেলা। রবিবার সকালে বাগেরহাট জেলা পরিষদ অডিটরিয়াম চত্বরে এ মেলার উদ্বোধন করেন বাগেরহাট ৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মো. মোজাম্মেল হোসেন। বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মামুন-উল-হাসানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বাগেরহাট জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক আফতাব উদ্দিন ও আইএডিপি-পিজিবি, ডিএই, প্রকল্প পরিচালক জি এম রুহুল আমীন প্রমুখ। এর আগে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের হয়। র‌্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ঘুরে মেলা স্থলে এসে শেষ হয়। মেলায় কৃষদের উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষিপণ্য এবং কৃষিকাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন যন্ত্রপাতিসহ বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি নিয়ে ২২টি স্টল বসেছে।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই মেলার আয়োজন করেছে। আগামী বৃহস্পতিবার এ মেলা শেষ হবে। মেলা উপলক্ষে প্রতিদিন কৃষির উপর  প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শণ এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। মেলায় ১০ কেজি ওজনের একটি ওলকপি শোভা পাচ্ছে। বাগেরহাট সদর উপজেলার গোপালকাঠি গ্রামের কৃষক শেখ মোস্তাফিজুর রহমান তার মৎস্য ঘেরের পাশে হাইব্রিড চ্যাম্পিয়ান জাতের ওই ওলকপি চাষ করেছেন।

আইএডিপি-পিজিবি, ডিএই, প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক জিএম রুহুল আমীন জানান, তিন বছর আগে থেকে বাগেরহাট জেলায় চ্যাম্পিয়ান জাতের ওই ওলকপি চাষ শুরু হয়েছে। প্রতিটি কপি আট থেকে ১২ কেজি পর্যন্ত ওজন হয়ে থাকে। উন্নত জাতের ওই ওলকপির বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, কৃষক ইচ্ছা করলে অনেক দিন তার জামিতে ওই কপি রাখতে পারবেন। চ্যাম্পিয়ান জাতের ওই ওলকপি চাষ করে কৃষরা অনেক লাভবান হচ্ছে বলে তিনি জানান।

মোস্তাফিজুর রহমান জানান, তিনি এ বছর এক একর জমিতে চ্যাম্পিয়ান জাতের ওলকপি চাষ করেছেন। প্রতি একর জমিতে ওলকপি চাষ করতে তার খরচ হয়েছে ৩০ হাজার টাকা।  এ পর্যন্ত সে এক লাখ টাকার কপি বিক্রি করেছেন। এখনো তার জমিতে ১০ হাজার টাকা কপি আছে।

জমিতে ধানের চারা রোপনের যন্ত্রও শোভাপাচ্ছে মেলায়। শারিবদ্ধভাবে ধানের চারা সাজিয়ে দিলে ওই যন্ত্রণের মাধ্যমে জমিতে ধানের চারা রোপন করা যাবে। ওই যন্ত্রের নাম দেওয়া হয়েছে রাইসট্রান্সপান্টার (ধান রোপনযন্ত্র)। ওই যন্ত্রের মূল্যে চার লাখ ৮০ হাজার টাকা। ওই যন্ত্রের মাধ্যমে ধানের চারা রোপন করলে অধিক পরিমাণ ফসল পাওয়া যাবে বলে কৃষি বিভাগ জানায়।  

 


মন্তব্য