kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সাংবাদিক মারধরের পৃথক ঘটনা

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মী বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি    

২২ অক্টোবর, ২০১৬ ১০:২৩



জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মী বহিষ্কার

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত দুই সাংবাদিককে মারধরের পৃথক ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের পাঁচ নেতাকর্মীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। গতকাল শুক্রবার রাতে অনুষ্ঠিত বিশেষ সিন্ডিকেট সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও ইতিহাস বিভাগের ৪০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মহিতোষ রায়কে দুই বছর, সহসম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের একই ব্যাচের শিক্ষার্থী ইকরাম উদ্দিন অমি এবং কর্মী ও পরিসংখ্যান বিভাগের ৪৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ইকরাম নাহিদকে ছয় মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে ওই তিনজনকে সাময়িক বহিষ্কার করেছিল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে তাঁদের প্রত্যেককে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রেজিস্ট্রার। এ ছাড়া ছাত্রলীগকর্মী ও উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী বায়েজিদ ইসলামকে সতর্ক করা হয়েছে। ওই চারজনই বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মশাররফ হোসেন হলের আবাসিক শিক্ষার্থী।

সাংবাদিক মারধরের অপর একটি ঘটনায় ছাত্রলীগকর্মী শরীফ হোসেন লস্করকে (নৃবিজ্ঞান বিভাগ) দুই বছরের জন্য বহিষ্কার এবং রিয়াজুলকে (বাংলা বিভাগ) চার মাসের বহিষ্কার ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৮ জুন রাতে এক তরুণীকে অপহরণের ঘটনায় একজন আটকের সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে মারধরের শিকার হন বিডিনিউজ২৪ডটকম এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম। অপরদিকে, গত ৭ জুন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে বিডিপ্রেসডটনেট এর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আবু রায়হান ব্যাপক মারধরের শিকার হন। শফিকুল জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের ৪২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এবং আবু রায়হান নাটক ও নাট্যতত্ত্ব বিভাগের ৪১তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। মারধরে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ২৭ জুন অনুষ্ঠিত জরুরি সিন্ডিকেট সভায় ছাত্রলীগের ওই পাঁচ নেতাকর্মীকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

 


মন্তব্য