kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নরসিংদীতে ঘুষ নেওয়ার সময় ভূমি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:০৮



নরসিংদীতে ঘুষ নেওয়ার সময় ভূমি কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

নরসিংদীর শিবপুর উপজেলায় ঘুষ নেওয়ার সময় উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা নূরুজ্জামানকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে দুদকের একটি বিশেষ দল শিবপুরের সাধারচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে নূরুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে।

এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফজলুল বারী বাদী হয়ে সন্ধ্যায় শিবপুর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

দুদক সূত্রে জানা যায়, সাধারচর ইউনিয়ন ভূমি কার্যালয়ের উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা নূরুজ্জামান বিভিন্ন কাজের জন্য স্থানীয়দের কাছ থেকে ঘুষ আদায় করতেন। ঘুষ না দিলে তিনি কোনো কাজ করতেন না। সাধারচরের কামাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি তাঁর বাড়ির নামজারির জন্য ভূমি কার্যালয়ে গেলে নূরুজ্জামান তাঁর কাছে মোটা অঙ্কের ঘুষ দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় কামাল হোসেনের নামজারির (এসএ/আরএস বিবিধ মোকদ্দমার প্রতিবেদন দাখিলের) ফাইল চাপা দিয়ে রাখেন। কামাল হোসেন বিরক্ত হয়ে উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা নূরুজ্জামানের বিরুদ্ধে দুদকের পরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এরই মধ্যে ভুক্তভোগী কামাল হোসেন নামজারির কাজ সম্পন্ন করার জন্য ভূমি কর্মকর্তার সঙ্গে ১২ হাজার টাকায় রফাদফা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় কামাল হোসেন ভূমি কর্মকর্তা নূরুজ্জামানকে টাকা দেওয়ার সময় দুদক কর্মকর্তারা তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন। পরে তাঁকে আটক করে শিবপুর থানায় হস্তান্তর করেন।

ভুক্তভোগী কামাল হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘সাধারচর ভূমি অফিসের  উপসহকারী ভূমি কর্মকর্তা নূরুজ্জামান একজন ঘুষখোর। কোনো কাজের জন্য অফিসে গেলেই তাঁকে টাকা দিতে হবে। টাকা ছাড়া কোনো কাজ হয় না। টাকা না দিলে তিনি ফাইল চাপা দিয়ে রাখেন। আমি একা নই। আমার মতো অনেকের কাছ থেকে ফাইল আটকে রেখে তিনি টাকা নিয়েছেন। ’

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে দুদকের ঢাকা বিভাগীয় পরিচালক নাসিম আনোয়ার বলেন, ভুক্তভোগী কামাল হোসেনের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিবপুরের সাধারচর ইউনিয়ন ভূমি অফিসে অভিযান চালিয়ে ঘুষ আদান-প্রদানের সময় নূরুজ্জামানকে হাতেনাতে আটক করা হয়। এ ঘটনায় দুদকের সহকারী পরিচালক মো. ফজলুল বারী বাদী হয়ে শিবপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।


মন্তব্য