kalerkantho

শনিবার । ১০ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কক্সবাজারে কর্মশালায় বক্তারা

দেশে সামুদ্রিক শৈবাল উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

১৯ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:৪৫



দেশে সামুদ্রিক শৈবাল উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে

দেশের বিস্তীর্ণ উপকূলে সামুদ্রিক শৈবাল চাষ করে একদিকে রপ্তানি যেমনি করা সম্ভব তেমনি ক্রমর্ধমান জনসংখ্যার একটি খাদ্য হিসাবেও ‘শৈবালকে’ ব্যবহার করা যায়। এই লক্ষ্য নিয়েই প্রাথমিক ভাবে কক্সবাজার সাগর তীরে শৈবাল চাষের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

আজ বুধবার কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত দিনব্যাপী এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ গুরুত্বারোপ করা হয়।
 
‘উপকূলীয় এলাকায় সামুদ্রিক শৈবাল চাষের উপযোগিতা পরীক্ষার সামর্থ বৃদ্ধিকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় বক্তারা বলেন, দেশের ৭১০ বর্গ কিলোমিটারের সামুদ্রিক উপকূলীয় এলাকায় শৈবাল চাষ হবে কৃষিজ ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বার্ক) এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউটের (বারি) যৌথ উদ্যোগে সামুদ্রিক শৈবাল চাষের ওপর দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কক্সবাজারের ঝিলংজা নারিকেল বাগান হর্টিকালচার কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউটের (বারি) মহাপরিচালক ড. রফিকুল ইসলাম মন্ডল। কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বার্ক) নির্বাহী সভাপতি ড. আবুল কালাম আযাদ। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হরটেক্স ফাউন্ডেশনের ব্যকবস্থাপনা পরিচালক ড. মোঃ আবদুর জলিল ভুঁইয়া, কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের (কেজিএফ) নির্বাহী পরিচালক ড. কাজী এম, কমরুদ্দিন এবং ডিএই এর অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ বছির উদ্দিন।

বক্তারা আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যে সামুদ্রিক শৈবালের চাষ করা হচ্ছে। এমনকি ফিলিপাইন এবং কানাডায় বেশ উন্নত মানের উৎপাদিত শৈবাল ব্যাপক বাজারও পেয়েছে। সেই সব দেশে শৈবালকে প্রক্রিয়াজাতকরণের মাধ্যমে ভেজিটেবল স্যুপসহ নানা রকমের উপাদেয় স্যুপ হিসাবে খাওয়া হয়। তেমনি বাংলাদেশে এসব দেশের চাইতেও সামুদ্রিক শৈবালের উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণেরও ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।

কর্মশালায় প্রকল্পের অভিজ্ঞতা উপস্থাপন করেন প্রকল্পের পরামর্শক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক প্রফেসর ড. আবদুল আজিজ, ড. কবির উদ্দিন আহমেদ ও ড. মুস্তাক আহমেদ।


মন্তব্য