kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বাহুবলে চার শিশু হত্যা মামলার বিচার কাজ শুরু

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ২৩:৪৫



বাহুবলে চার শিশু হত্যা মামলার বিচার কাজ শুরু

হবিগঞ্জের বাহুবলে চার শিশু হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য কারাগারে থাকা আসামিদের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির করা হয়।

বিকেলে পৌনে ৫টা পর্যন্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আগামী ১৯ অক্টোবর মামলার পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করে আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।  

আদালত সূত্রে জানা যায়, এদিন আদালতে হত্যা মামলার বাদী ও নিহত শিশু মনিরের বাবা আবদাল মিয়া ও একই গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শী ও লাশবহনকারী সিএনজি সনাক্তকারী ব্যক্তি আহাদ মিয়া সাক্ষ্য প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ত্রিলোক কান্তি চৌধুরী বিজন বলেন, দুই দফা সাক্ষ্য গ্রহণ পেছানোর পর আজ সোমবার মামলার বাদী ও প্রত্যক্ষদর্শীর সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে বিচার কাজ শুরু হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ১২ ফেব্রুয়ারী জেলার বাহুবল উপজেলার সুন্দ্রাটিকি গ্রামের মো. ওয়াহিদ মিয়ার ছেলে জাকারিয়া আহমেদ শুভ (৮), তার চাচাতো ভাই আব্দুল আজিজের ছেলে তাজেল মিয়া (১০) ও আবদাল মিয়ার ছেলে মনির মিয়া (৭) এবং তাদের প্রতিবেশী আব্দুল কাদিরের ছেলে ইসমাঈল হোসেন (১০) খেলতে গিয়ে নিখোঁজ হয়। নিখোজের পাঁচ দিন পর ১৭ ফেব্রুয়ারি গ্রামের পাশে ৪ শিশুর মাটিচাপা অবস্থায় লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরদিন ১৮ ফেব্রুয়ারি নিহত শিশু মনিরের বাবা আবদাল মিয়া বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ডিবি পুলিশের তৎকালিন ওসি মোকতাদির আলম তদন্ত করে ৫ এপ্রিল ৯ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। এরপর মামলাটি নারী শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

এরপরে ২৮ জুন নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালের বিচারক কিরন শংকর হালদারের আদালতে চার্জশিটের ওপর শুনানি শেষে আদালত চার্জশিট আমলে নিয়ে পলাতক ৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। আদালত ২৬ জুলাই আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। এরপর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শংকর হালদার অন্যত্রে বদলি হওয়ার কারণে মামলাটির অতিরিক্ত দায়িত্ব নেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আতাবুল্লাহ। দীর্ঘদিন পর আজ সোমবার সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে বিচার কার্জ শুরু হয়েছে।


মন্তব্য