kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কিশোরগঞ্জে ওসির অপসারণ দাবিতে ছাত্রলীগের সড়ক অবরোধ

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১৭ অক্টোবর, ২০১৬ ১৭:১০



কিশোরগঞ্জে ওসির অপসারণ দাবিতে ছাত্রলীগের সড়ক অবরোধ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ ও উপ-পরিদর্শক রায়হান আলীর অপসারণ দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ। আজ সোমবার দুপুর ১টা থেকে শহরের স্টেডিয়াম এলাকায় ঘন্টাব্যাপী সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করে নেতাকর্মীরা।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিমকে লাঞ্ছিতের অভিযোগে সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করে তারা। এ সময় উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে বক্তব্য  দেন উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী, সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি পতিরাম রায়, সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী শাহ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবুল কালাম বারি, উপজেলা ছাত্রলীগের  সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম।

এর আগে একই দাবিতে গত ১১ অক্টোবর দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ এবং ১২ অক্টোবর দুপুরে মানববন্ধন ও সমাবেশ করে নেতাকর্মীরা।

ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় উপজেলার পুটিমারী দূর্গা পূজা মণ্ডপে অকারণে ছাত্রলীগ কর্মী বাবলা মিয়াকে মারধর করে পুলিশ। উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম ওই ঘটনার কারণ জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি বজলুর রশীদ বাবলাকেসহ তাকে (সাধারণ সম্পাদক ডালিমকে) থানায় যেতে বলেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা থানায় গেলে ওসি এবং উপ-পরিদর্শক রায়হান আলী তাদেরকে আধা ঘণ্টা আটকিয়ে ডালিমের ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। পরে রাত ১টার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয় তাদেরকে।

অপরদিকে ছাত্রলীগের অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ বলেন, গত ১০ অক্টোবর সন্ধ্যায় নেশাগ্রস্ত কিছু ছেলে পূজা মণ্ডপে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সেখানেই বিষয়টি মিমাংসা হয়। এর পর ওই রাতে ২০ থেকে ২৫ জন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী থানার সামনে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু করেন। আমি সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি হালিম ও সাধারণ সম্পাদক ডালিমের সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু অন্যরা তাতে রাজি না হয়ে ওই দুইজনকে সঙ্গে করে থানা চত্বর থেকে বেরিয়ে যান তারা। থানায় কাউকে কোনোভাবে লাঞ্ছিত করা হয়নি।


মন্তব্য