kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


হাতির তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে ডিসির চিঠি

শেরপুর প্রতিনিধি    

১৬ অক্টোবর, ২০১৬ ২২:৪৬



হাতির তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে ডিসির চিঠি

শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী জনপদে বন্যহাতির তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারের সহায়তার জন্য জেলা প্রশাসনের তরফ থেকে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগে জরুরী একটি চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে।
 
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ডা. এ এম পারভেজ রহিম জানান, হাতি উপদ্রুত এলাকার বিস্তারিত ঘটনাবলী তুলে ধরে রবিবার দুপুরে পত্রটি প্রেরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, বন্যহাতির দল যাতে নিরাপদে তাদের আবাসস্থলে বিচরণ করতে পারে এজন্য ভারত সীমান্তের কাটাতারের বেড়ার গেট খুলে দেওয়ার জন্য ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরা জেলার ডিসি’র সাথে শনিবার রাতে কথা হয়েছে। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ সময়ে সময়ে সীমান্তের গেট খুলে দেওয়ার ব্যাপারে তাকে আশ্বস্ত করেছেন বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়াও ত্রাণ মন্ত্রণায়ের সচিব মহোদয় বন্যহাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য জরুরী ভিত্তিতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা দিতে তার সাথে ফোনে কথা বলেছেন বলেও ডিসি উল্লেখ করেন।  

জানা গেছে, আজ রবিবার জেলা প্রশাসক ডা. এ এম পারভেজ রহিম কাংশা ইউনিয়নের হাতি উপদ্রুত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সাথে কথা বলেন। এর আগে জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট আব্দুল হালিম ওই এলাকা পরিদর্শন করেন।

এদিকে এদিন দুপুরে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভায় উপজেলা পরিষদের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় জরুরী তহবিল থেকে হাতি উপদ্রুত এলাকায় বিদ্যুতের ব্যবস্থা করতে ৫ লক্ষ টাকার সোলার প্যানেল স্থাপনের প্রস্তাব করেন ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান। কমিটির সভায় সরকারি অর্থ ব্যয়ের নিয়মাবলী অনুসরণ করে সেই সোলার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক সম্মতি জানিয়েছেন বলে সভা সূত্রে জানা যায়।  

ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা এ বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত গত ৫ দিনে ঝিনাইগাতীর কাংশা ইউনিয়নে বন্যহাতির আক্রমণে দুই মহিলাসহ ৫ জন নিহত হন।  


মন্তব্য