kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


অস্ত্র উদ্ধার,পুলিশ আহত

মনপুরায় পুলিশের সঙ্গে জলদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ, ৯ জন আটক

ভোলা প্রতিনিধি   

১৪ অক্টোবর, ২০১৬ ১৩:২০



মনপুরায় পুলিশের সঙ্গে জলদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ, ৯ জন আটক

ভোলার মনপুরার মেঘনা নদীতে পুলিশের সঙ্গে জলদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ৩ ঘন্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের পর নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার উড়িরচর কেওড়া বনের জলদস্যুদের ঘাটি থেকে কথিত ৯ জলদস্যূকে আটক করেছে পুলিশ।

উদ্ধার করা হয়েছে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র। যুদ্ধে পুলিশ জলদস্যুদের লক্ষ করে ৫ রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় জুনায়েদ নামে ১ পুলিশ কনস্টেবল আহত হয়েছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লালমোহন সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম, মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন খান ও এস আই মোফাজ্জল হোসেনের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি দল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মনপুরার মেঘনা নদীতে অভিযানে নামেন। তারা জলদস্যুদের ঘাটি নামে পরিচিত নোয়াখালীর হাতিয়ার উড়ির চরে অভিযানকালে জলদস্যুরা পুলিশকে লক্ষ করে গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও জলদস্যুদের ওপর অন্তত ৫ রাউন্ড পাল্টা গুলিবর্ষণ করে। এ সময় দীর্ঘ প্রায় ৩ ঘন্টাব্যাপী পুলিশের সঙ্গে জলদস্যুদের বন্দুকযুদ্ধ হয়। পরে জলদস্যুদের ঘাটি হিসেবে পরিচিত হাতিয়ার উড়ির চর থেকে পুলিশ কথিত জলদস্যু ফখরুল ইসলাম (২৭), মনির (১৮), আঃ মালেক (৩০), শামসুউদ্দিন (২৯), শহিদুল (৩৫), সোহেল (২০), সোহরাব (৩৫), সেলিমউদ্দিন (২৫) ও রাহাত (২০) কে আটক করে মনপুরা থানায় নিয়ে আসে। পুলিশ জলদস্যুদের কাছ থেকে ২টি কিরিচ, ২টি বগিদা, ৩টি দেশীয় দা, ২টি হাতুড়ি ও ১টি শাবলসহ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।

এ ব্যাপারে লালমোহন সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা দেশীয় অস্ত্রসহ ৯ জলদস্যুদের আটক করেছি। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে। মনপুরা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহীন খান বলেন, এ ঘটনায় মনপুরা থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 


মন্তব্য