kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মেহেরপুরে জেলারের বিরুদ্ধে মামলা!

মেহেরপুর প্রতিনিধি   

১৩ অক্টোবর, ২০১৬ ২০:০২



মেহেরপুরে জেলারের বিরুদ্ধে মামলা!

মেহেরপুর জেলা কারাগারে নানা দূর্নীতি ও বন্দি নির্যাতনের ঘটনায় জেলার শেখ আখতার হোসেনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় আরো তিন কারারক্ষীকে আসামী করা হয়েছে।

তারা হলেন প্রধান কারারক্ষী আলামিন হোসেন, কারারক্ষী সোলাইমান হোসেন ও মামুন হোসেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে কারাগারে নির্যাতিত বন্দি শেখ শাহীর ছোট ভাই মনিরুল ইসলাম বাদি হয়ে মেহেরপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট-১ম সানা উল্লাহ মিয়ার আদালতে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে জানা গেছে, জেলার আখতার হোসেন মামলার অন্য আসামীগণ বেতনভুক্ত সরকারী কর্মচারী হওয়ার পরেও পরস্পর যোগসাজশে অবৈধভাবে লাভবান হওয়ার উদ্দেশ্যে বন্দিদের মাঝে নিম্ম মানের খাবার পরিবেশন, বন্দির ফাইল কাটা বাবদ ২৫০-৫০০ টাকা নেয়া, কয়েদি বন্দিদের পাহারা ও ম্যাট বানানোর জন্য এক থেকে দুই হাজার টাকা নেয়া, বন্দি দেখা সাক্ষাতের জন্য অফিস কল বাবদ বন্দি প্রতি ২৫০ থেকে ৫০০টাকা করে নেয়া, বাহির কারা ক্যান্টিনে বন্দিরে জন্য মালামালের ব্যাগ প্রতি ৫০ থেকে ১০০টাকা নেয়া, বাহির ক্যান্টিনের মালামাল বিক্রি হোক বা না হোক ক্যান্টিন ম্যানেজারের কাছে থেকে মাসিক ২২ হাজার টাকা আদায়, দর্শনার্থীদের কাছে ১০ টাকা করে আদায়, উকালতনামা স্বাক্ষর করতে ৫০ টাকা নেয়া, কারাগারের ভিতরের ক্যান্টিন থেকে বন্দিদের মালামাল কিনতে বাধ্য করা হবে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি করাসহ নানা অনিয়মের প্রতিবাদ করলে ২বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামী শেখ শাহী প্রতিবাদ করলে তার উপর শারিরিক নির্যাতন চালায় এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে জেলার আখতার হোসেন।

নির্যাতনে শাহী গুরতর জখম হলেও তাকে কোনো চিকিৎসা না দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থানান্তর করেন জেলা শেখ আখতার হোসেন। বর্তমানে সেখানে সে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে মামলার বাদি আসামী পক্ষে আইনজীবী এহান উদ্দিন মনা বলেন, বিজ্ঞ বিচারক মামলার নথি পর্যালোচনা করে মামলাটি আমলে নিয়েছেন।


মন্তব্য