kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


গোয়ালন্দে ভাইয়ের সঙ্গে অভিমান করে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ২১:২৩



গোয়ালন্দে ভাইয়ের সঙ্গে অভিমান করে স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যা

ছোট ভাইয়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন পাপিয়া আক্তার নামে সপ্তম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রী। খবর পেয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতাল থেকে ওই ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে এ ঘটনা ঘটে।
 
পুলিশ, ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের মজিদ শেখেরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সিদ্দিক বিশ্বাসের মেয়ে পাপিয়া আক্তার (১৩) স্থানীয় কেকেএস শিশু বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। শারদীয় দূর্গাপূজা ও পবিত্র মহরম উপলক্ষে স্কুল ছুটি থাকার সুযোগে আজ মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় বসে পাপিয়া তার আট বছরের আপন ছোট ভাই মানিকের সঙ্গে খেলা করছিল। এ সময় খেলা নিয়ে তাদের দুজনের মধ্যে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার এক পর্যায়ে বাবা সিদ্দিক বিশ্বাস এসে তিনি তার মেয়েকে বলেন, ‘পাপিয়া, তুইতো বড়। তোর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে আর কখনো এভাবে ঝগড়া-বিবাদ করবি না। ’ বাবার মুখ থেকে এ কথা শোনার পর বাড়ির আঙ্গিনা থেকে দৌঁড়ে ঘরের ভিতরে চলে যায় পাপিয়া। সঙ্গে সঙ্গে ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে সে। বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন ঝুলন্ত অবস্থায় পাপিয়াকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে যায়। এ সময় সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. কাজী শফিউল আজম শুভ তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।  

এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মির্জা আবুল কালাম আজাদ  কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘এ ব্যাপারে থানায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ’

এদিকে স্কুলছাত্রী পাপিয়া তাঁর ছোট ভাইয়ের সঙ্গে অভিমান করে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যা করায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
 


মন্তব্য