kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ছাত্রলীগ নেতাকে লাঞ্চিতের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জে ওসি ও এসআইকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ, সমাবেশ

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ১৯:৩১



কিশোরগঞ্জে ওসি ও এসআইকে অপসারণের দাবিতে বিক্ষোভ, সমাবেশ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিমকে লাঞ্চিত করার অভিযোগে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ ও উপ-পরিদর্শক রায়হান আলীর অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে উপজেলা ছাত্রলীগ।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বিক্ষোভ মিছিলটি উপজেলা শহরের সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ের সামনে থেকে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ওই কার্যালয়ের সামনের সড়ক অবরোধ করে সমাবেশ করে ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা।

এ সময় ওই সড়কে আধা ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে।

উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তৃতা করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আবুল কালাম, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ফণিভূষণ মজুমদার, সাধারণ সম্পাদক বিপুল চৌধুরী, উপজেলা
স্বেচ্ছাসেক লীগের সভাপতি পতিরাম রায়।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমান ডালিম অভিযোগ করে বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার পুটিমারী পূজা মণ্ডপে অকারণে ছাত্রলীগকর্মী বাবলা মিয়াকে মারধর করেন পুলিশ। ওই মারধরের ঘটনার কারণ আমি জানতে চাইলে কিশোরগঞ্জ থানার ওসি বজলুর রশীদ বাবলাসহ আমাকে থানায় যেতে বলেন। আমি রাত সাড়ে ১২টার দিকে থানায় গেলে ওসি এবং উপ-পরিদর্শক রায়হান আলী আধা ঘণ্টা আটকিয়ে রেখে আমাকে শারীরিক নির্যাতন করেন। পরে রাত ১টার দিকে আমাকে ছেড়ে দেন।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, কিশোরগঞ্জ থানার ওসি ও এসআই রায়হান আলী সোমবার রাতে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিজবুল্লাহ রহমানকে থানায় ডেকে নিয়ে নির্যাতন করেছেন। আমরা তাদের অপসারণ দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছি। একই দাবিতে আগামীকাল বুধবার শহরের শহীদ মিনার চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

এদিকে এ অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করে কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ বলেন, সোমবার সন্ধ্যায় নেশাগ্রস্ত কিছু ছেলে পূজা মণ্ডপে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। পুলিশ তাতে বাধা দেয়। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে সেখানেই বিষয়টি মিমাংসাও হয়ে যায়। এর পর রাতে ২০ থেকে ২৫ জন ছাত্রলীগের নেতাকর্মী থানার সামনে পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা শুরু করেন। আমি সেখানে গিয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি হালিম ও সাধারণ সম্পাদক ডালিমের সঙ্গে কথা বলতে চাই। কিন্তু অন্যরা তাতে রাজি না হয়ে ওই দুজনকে সঙ্গে করে থানা চত্বর থেকে বেরিয়ে যান তারা। থানায় কাউকে কোনোভাবে লাঞ্চিত করা হয়নি। এরপর মঙ্গলবার দুপুরে থানার সামনের সড়কে মিছিল করে যেতে দেখেছি।


মন্তব্য