kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান

কাল থেকে ২২ দিন মেঘনায় পড়বে না জাল

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি    

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ১৭:৩৯



কাল থেকে ২২ দিন মেঘনায় পড়বে না জাল

আগামীকাল ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশের ভরা প্রজনন মৌসুম। এই ২২ দিন লক্ষ্মীপুরের মেঘনা নদীতে ইলিশসহ সকল প্রজাতির মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

লক্ষ্মীপুরের রামগতি থেকে চাঁদপুরের ষাটনল পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার মেঘনা নদী এলাকায় মাছ ধরা যাবে না। এ সময় মাছ শিকার, পরিবহন, মজুদ ও বাজারজাতকরণ কিংবা বিক্রি নিষিদ্ধ। এ আইন আমান্য করলে জেল জরিমানা অথবা  উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

জেলা মৎস্য অফিস থেকে জানা গেছে, আশ্বিন মাসের বড় পূর্ণিমার আগের চার দিন, পূর্ণিমার দিন ও পরের ১৭ দিনসহ মোট ২২ দিন ইলিশের প্রজনন সময়। এ সময় সাগর থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে মা ইলিশ এসে লক্ষ্মীপুরের মেঘনায় ডিম ছাড়ে। একটি বড় ইলিশ ২৩ লাখ পর্যন্ত ডিম ছাড়তে পারে। বেশি ইলিশ উৎপাদনের লক্ষ্যে নিবিঘ্নে যাতে মা ইলিশ ডিম ছাড়তে পারে- সে জন্যই ইলিশসহ সব প্রজাতির মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২২ দিন জেলেদের মাছ ধরা থেকে বিরত রাখতে লক্ষ্মীপুরের ৩৭ হাজার ৩২৬ জন জেলের মাঝে ২০ কেজি করে ভিজিএফের চাল বিরতণ করবে সরকার। এ ছাড়া প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষা অভিযান সফল করতে আরো কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লিফলেট, পোস্টার ও মাইকিংয়ের মাধ্যমে জেলেসহ সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি, বরফ কলের বিদ্যুৎসংযোগ বিচ্ছিন্ন, অন্য কোথাও থেকে বরফ আসতে না দেওয়া, নদীসংলগ্ন খাল থেকে নৌকা বের হতে না দেওয়া, মাছঘাটসংলগ্ন বাজারের নৌকা ও ট্রলারের জ্বালানি তেলের দোকান বন্ধ রাখা, নদীর মাঝে জেগে ‌ওঠা চরের মাছঘাটগুলো বন্ধ রাখা প্রভৃতি।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম মহিব উল্লাহ বলেন, "ইলিশের প্রজনন ক্ষেত্রে ইলিশসহ সব মাছ শিকারে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সরকার। এ সময় মাছ শিকার, পরিবহন, মজুদ এবং বাজারজাতকরণ অথবা বিক্রি নিষিদ্ধ। এ আইন আমান্য করলে এক বছর থেকে দুই বছরের জেল, জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। "

 


মন্তব্য