kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রতিমা ভাসানোর জন্যে প্রস্তুত পতেঙ্গা, নিরাপত্তা জোরদার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১১ অক্টোবর, ২০১৬ ১৩:০২



প্রতিমা ভাসানোর জন্যে প্রস্তুত পতেঙ্গা, নিরাপত্তা জোরদার

সন্ধ্যার আগেই যাতে নগরীর সব মণ্ডপের প্রতিমা কর্ণফুলী নদী, পতেঙ্গা ও কাট্টলী সৈকতে ভাসানো যায় সে লক্ষ্যে সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে পূজা উদযাপন পরিষদ ও প্রশাসন। নগরীর ২৩১টি পূজামণ্ডপের মধ্যে বেশির ভাগই ভাসানো হবে পতেঙ্গা সৈকতে।

এ লক্ষে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক), পূজা উদযাপন পরিষদ, পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছেন। পতেঙ্গা থানার ওসি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, প্রতিমা নিয়ে আসা ট্রাক-পিকআপ-ভ্যানগুলো প্রবেশের জন্যে দুটি পয়েন্ট নির্ধারণ করা হয়েছে। একটি হচ্ছে মূল সীবিচ, অন্যটি রয়েল সীবিচ হোটেল। তবে প্রতিমা ভাসানো হবে একটি জায়গাতেই। প্রতিমা বিসর্জন শেষে খালি গাড়িগুলো বের হওয়ার জন্যে একটি পয়েন্টই রাখা হয়েছে, যাতে শৃঙ্খলা থাকে।

তিনি জানান, পতেঙ্গা এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রচুর র‌্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। রয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, পূজা উদযাপন পরিষদের কর্মকর্তা ও বিপুলসংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক। তিনি আশা করে, দুপুর থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যার আগেই পতেঙ্গামুখী প্রতিমাগুলো ভাসানোর কাজ শেষ হবে। বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার মো. ইকবাল বাহার সংবাদ সম্মেলন করে ১১ অক্টোবর রাত ৮টার মধ্যে প্রতিমা বিসর্জনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি জানান, নগরীতে এবার ২৩১টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা হবে।   নিরাপত্তা দেওয়ার ক্ষেত্রে ১০৫টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ১০০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ২৬টিকে সাধারণ মণ্ডপ হিসেবে ভাগ করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) উদ্যোগে প্রতিবছরের মতো এবারও প্রতিমা ভাসানো উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিকেল তিনটায় এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। নগরীর বাইরে এবার চট্টগ্রাম জেলার ১৪ উপজেলা ও দুটি থানায় ১৪৩৯টি মণ্ডপে প্রতিমা পূজা ও পারিবারিকভাবে ২৫০টি ঘটপূজা হয়েছে। এসব প্রতিমা কর্ণফুলী ও হালদা নদী, শঙ্খ নদ, বঙ্গোপসাগর, স্থানীয় বড় খাল, দীঘি, পুকুরে ভাসানো হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা শাখা সভাপতি শ্যামল কুমার পালিত।

তিনি জানান, শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে বর্ণাঢ্য আয়োজনে এবার রাউজানে ২২২টি, বোয়ালখালীতে ১১০টি (ঘটপূজা ২৮টি), পটিয়ায় ১৭১টি, আনোয়ারায় ১৪৫টি (ঘট ৪১), বাঁশখালীতে ১৬১টি (ঘট ৮০), মিরসরাইয়ের দুই থানায় ৮৩টি, সীতাকুণ্ডে ৫৮টি, হাটহাজারীতে ১০১টি, ফটিকছড়িতে ১০২টি, রাঙ্গুনিয়ায় ১৬৪টি (ঘট ১৯), লোহাগাড়ায় ১০০টি, সাতকানিয়ায় ১১০ (ঘট ৪৯), চন্দনাইশে ৯০টি, সন্দ্বীপে ২৩টি মণ্ডপে পূজা হয়েছে।

 


মন্তব্য