kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পার্বতীপুরে ১৭৪টি পূজামণ্ডপে আনসার ভিডিপি নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৬ ১৮:০৭



পার্বতীপুরে ১৭৪টি পূজামণ্ডপে আনসার ভিডিপি নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্য

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ১৭৪টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার ভিডিপি সদস্য নিয়োগে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে।  

জানা গেছে, পার্বতীপুর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে ১৭৪টি পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শারদীয় দূর্গা পুজা।

১৭৪টি পূজামণ্ডপের মধ্যে ৩২টি ঝুকিপূর্ণ। এসব পূজামণ্ডপে পুলিশের পাশাপাশি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ৭৭০ জন আনসার, ভিডিপি সদস্যকে। এদের মধ্যে নারী আনসার, ভিডিপি রয়েছেন ২৪৮ জন। নিয়োগ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন রাষ্ট্রপতি পদক প্রাপ্ত উপাজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক প্রামানিক। তিনি প্রতি সদস্যের কাছ থেকে ৫০০ টাকা আদায় করে ডিউটি প্রদান করেছেন। তার অনৈতিক কাজে সহযোগিতা করেছেন বিভিন্ন ইউনিয়নের দালাল চক্র। এও জানা গেছে, পূজামণ্ডপে ৭৪০ জন আনসার সদস্য নিয়োগে হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে ৩ লাখ টাকা। একজন আনসার ভিডিপি সদস্য ৫ দিন ডিউটি করে পাবেন সর্বোচ্চ এক হাজার ৭০০ টাকা।

এ বিষয়ে উপজেলার বানিয়া পাড়া পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালনকারী আনসার ভিডিপি সদস্য আব্দুস সামাদ বলেন, তার কাছ থেকে ৫০০ টাকা নেওয়া হয়েছে। এমনি করে প্রত্যেক সদস্যের কাছ থেকেই টাকা আদায় করা হয়েছে। সবাই টাকা দিলেও ভবিষ্যতে ডিউটিসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা না পাওয়ার আশঙ্কায় কোন সদস্য মুখ খুলতে চান না। সিঙ্গীমারী কাজীপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, তিনি ৪০০ টাকা দিয়েছেন। টাকা কম দেওয়ায় তার ডিউটি দেওয়া হয়নি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক প্রামানিক টাকা আদায়ের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতার সুপারিশের ভিত্তিতে আনসার ভিডিপি সদস্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে পূজামণ্ডপে। যারা দায়িত্ব পায়নি তারা ঘুষ প্রদানের বিষয়টি গুঞ্জব ছড়াচ্ছে।  

এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার তরফদার মাহমুদুর রহমান বলেন, পূজামণ্ডপে আনসার ভিডিপি নিয়োগে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ পাননি তিনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 


মন্তব্য