kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জলঢাকায় তিস্তা সেচ ক্যানেলে আবারো মাছ চাষের উদ্যোগ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১০ অক্টোবর, ২০১৬ ১৫:২৫



জলঢাকায় তিস্তা সেচ ক্যানেলে আবারো মাছ চাষের উদ্যোগ

নীলফামারী জেলার ওপর দিয়ে চলে যাওয়া দেশের বৃহৎ তিস্তা সেচ ক্যানেলটি সরকার পুনরায় মাছ চাষের উদ্যোগ নিয়েছে। এতে জাতীয়ভাবে মাছের চাহিদা মেটানোসহ ক্যানেলের দুই তীরে বসবাসরত হতদরিদ্রদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জলঢাকা উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যে মৎস্য অধিদপ্তর ও পানি উন্নয়ন বোর্ড একটি চুক্তিতে সমঝোতা স্বাক্ষর হয়েছে। সেখানে মৎস্য অধিদপ্তর ১৫ শতাংশ, পানি উন্নয়ন বোর্ড ১৫ শতাংশ, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ৫ শতাংশ, সুফলভোগী ৪৫ শতাংশ, এবং প্রশিক্ষণ, আনুষঙ্গিক বা বিবিধ খাতে ২০ শতাংশ হিসাবে লভ্যাংশের উল্লেখ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে জেলার জলঢাকা উপজেলা অংশে ক্যানেল তীরে বসবাসকারীদের মধ্যে ৩৬.৫৫ কিলোমিটার বা ১০৪ হেক্টরের জন্য ৯৭৯ জন সুফলভোগী নির্বাচন করা হয়েছে।

এ উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা মিনারা হাফিজা ফেরদৌস জানান, উপজেলাটিতে চার হাজার ৫৬০ মেট্রিকটন মাছের চাহিদা থাকলেও উৎপাদন হয় দুই হাজার ৩৯ মেট্রিকটন। ঘাটতি থাকে দুই হাজার ৫২১ মেট্রিকটন। তিস্তা সেচ ক্যানেলটিতে পুনরায় মাছ চাষ করা শুরু হলে উপজেলাটিতে ঘাটতি পূরণসহ জাতীয়ভাবে মাছের চাহিদা মেটাতে ভূমিকা রাখবে। আসবে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা।

উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সেচ খাল বা ক্যানেলটিতে মাছ চাষ করা হলেও তা নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসলে ক্যানেল তীরবর্তী দুর্বৃত্তরা রাতের আঁধারে পানিতে থাকা মাছগুলো তুলে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেয়। এতে একদিকে ক্যানেলটি মাছশূন্য হয়, অপরদিকে মৎস্যচাষ প্রকল্পটি ভেস্তে যায়।


মন্তব্য