kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জয়পুরহাটে চুরির ২২ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার

জয়পুরহাট প্রতিনিধি    

৩ অক্টোবর, ২০১৬ ১৪:২৫



জয়পুরহাটে চুরির ২২ ঘণ্টা পর শিশু উদ্ধার

জয়পুরহাট সদর রাস্তার পদ্মা ল্যাব অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার থেকে তিন মাসের একটি শিশু চুরি হওয়ার ২২ ঘণ্টা পর আজ সোমবার অন্য একটি ক্লিনিক থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় চুরির অভিযোগে মোর্শেদা বেগম নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তার বাড়ি জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার শিরট্টি গ্রামে।

পুলিশ, শিশুটির পরিবার এবং ক্লিনিক সূত্রে জানা গেছে, তিন মাসের শিশু সন্তান তামান্নাকে নিয়ে গতকাল রবিবার জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে আসেন নওগাঁর ধামুরহাট উপজেলার ভাতকুণ্ডু গ্রামের দম্পতি বজলুর রশিদ ও জয়নাব বেগম। উন্নত চিকিৎসার কথা বলে সেখান থেকে মোর্শেদা বেগম তাদের ফুঁসলিয়ে শহরের সদর রাস্তা এলাকার পদ্মা ল্যাব অ্যান্ড কনসালটেশনে নিয়ে আসেন। সেখানে তার বড় ভাই চিকিৎসক রয়েছেন বলেও তাদের জানান মোর্শেদা বেগম। পরে বেলা ১টার দিকে মোর্শেদা বেগম তাদের বসিয়ে রেখে ডাক্তার দেখানোর কথা বলে শিশু তামান্নাকে চুরি করে পালিয়ে যান।

অনেক খোঁজাখুজির পর না পেয়ে তামান্নার বাবা বজলুর রশিদ বাদী হয়ে রাতেই জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা করেন। মামলার পর পুলিশ আজ সোমাবার সকাল ১১টার দিকে শহরের সদর রাস্তার হাসপাতাল মোড় এলাকার 'আল শিফা ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার' থেকে শিশু তামান্নাকে উদ্ধারের পর চুরির অভিযোগে মোর্শেদাকে গ্রেপ্তার করে। ওই ক্লিনিকে মোর্শেদা শিশুটির চিকিৎসা নিতে আসলে কর্তৃপক্ষ পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ অসুস্থ শিশু তামান্নাকে জয়পুরহাট জেলা আধুনিক হাসপাতালে নিলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়ায় স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মোর্শেদার স্বামী এমরান হোসেনকেও আটক করেছে। উদ্ধারের খবর পেয়ে শিশু তামান্নার পরিবার হাসপাতালে ছুটে আসেন।

হাসপাতালের শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. শামসুজ্জোহা জানান, শিশু তামান্নার অবস্থা ভালো নয়। তার শ্বাসকষ্ট রয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বগুড়ায় স্থানান্তর করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জয়পুরহাট সদর থানার ওসি ফরিদ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শিশু চুরির অভিযোগে মোর্শেদাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার সত্যতা উদঘাটনে মোর্শেদার স্বামী এমরান হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আটক করা হয়েছে।

 


মন্তব্য