kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বেনাপোল বন্দরে আগুন নেভাতে ভারত-বাংলাদেশের ৮ ইউনিট

বেনাপোল প্রতিনিধি    

২ অক্টোবর, ২০১৬ ১০:২৪



বেনাপোল বন্দরে আগুন নেভাতে ভারত-বাংলাদেশের ৮ ইউনিট

দেশের সবচাইতে বড় স্থলবন্দর বেনাপোলের ২৩ নম্বর শেডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়েছে। আজ রবিবার ভোররাতে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান বন্দর কর্তৃপক্ষ।

সর্বশেষ আগুন আংশিক নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ভারত ও বাংলদেশের আরো ১০টি ইউনিট আগুন নেভাতে কাজ করছে। আগুন পাশ্ববর্তী আরো একটি গুদামে লেগে মালামাল পুড়ে গেছে। বন্দরের পাশে বন্দর থানার আংশিক অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুলিশ থানা থেকে অস্ত্র গোলাবারুদ সহ  প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছে।

আগুন লাগার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট পানি ছিটিয়ে তা নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। তবে সকাল সাড়ে ৭টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, রবিবার ভোরের দিকে হঠাৎ করে এ আগুন লাগে এই শেডে। আগুন লাগার কিছুক্ষণের মধ্যেই শেডের পাশে খোলা আকাশের নিচে রাখা বিভিন্ন মেশিনারি, টায়ার, কেমিক্যাল এবং অন্যান্য আমদানি পণ্য পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

সরেজমিন দেখা গেছে, ২৩ নম্বর শেডের পাশে অবস্থিত বন্দর থানার সামনে রাখা বেশ কয়েকটি ভারতীয় ট্রাক ও বিভিন্ন সময়ে জব্দ করা প্রাইভেট কারও পুড়ে গেছে।

বেনাপোল বন্দরের পরিচালক নিতাই চন্দ্র সেন জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন পুরোপুরি নিভলে ক্ষয়ক্ষতির মোট পরিমাণ জানানো যাবে।

বন্দর সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন জানান, বাংলাদেশের ৬টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করছে। প্রাথমিকভাবে অর্ধশত কোটি টাকার বেশি ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। তবে বন্দরের নিজস্ব ১০টি ফায়ার ফাইটার ইউনিট অকার্যকর থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে আগুন নেভানো যায়নি বলে তিনি জানান।


মন্তব্য