kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কেরানীগঞ্জে ১৩৪ পূজামণ্ডপে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি

কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:১৮



কেরানীগঞ্জে ১৩৪ পূজামণ্ডপে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি

কেরানীগঞ্জে এ বছর ১৩৪টি পূজামণ্ডপে উদযাপন করা হবে শারদীয় দুর্গোৎসব। হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবকে সামনে রেখে মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি।

কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, ইতিমধ্যেই শেষ হয়ে গেছে প্রতিমা তৈরির কাজ। বাকি রয়েছে প্রতিমার সাজসজ্জা।

উপজেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার নাজিরেরবাগ এলাকায় একটি পূজামণ্ডপে গিয়ে দেখা যায়, প্রতিমা তৈরি করে তাতে সাদা রং দেওয়া হয়েছে। এরপর রং তুলির আঁচড়ে প্রতিমাকে তার নিজ রূপ দেওয়ার কাজ করা হবে। এরপর পোশাক পরিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ হবে।

এ ব্যাপারে কারিগর টেপু পাল বলেন, প্রতিমা তৈরির পর তাতে আস্তর (সাদা রং) দিয়ে ভালোভাবে শুকানোর সময় দিতে হবে। নতুবা প্রতিমার গায়ে ফাটল ধরে যাবে। এতে প্রতিমার সৌন্দর্য নষ্ট হবে। তিনি আরও বলেন, এ বছর খড় ও সুতলিসহ প্রতিমা তৈরির সরঞ্জামের দাম বেশি। তাই লাভ কম হবে।

নাজিরেরবাগ পূজা উদযাপন কমিটির কোষাধ্যক্ষ রতন সরকার মাম্পি বলেন, এ বছর প্রতিমা তৈরির খরচ বেশি। আমাদের মণ্ডপে প্রতিমা তৈরিতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৩২ হাজার টাকা।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক শেখর চন্দ্র দাস বলেন, কেরানীগঞ্জ উপজেলায় এ বছর ১৩৪টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। যার মধ্যে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় ৫৩টি এবং কেরানীগঞ্জ মডেল থানা এলাকায় ৮১টি।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, দুর্যোগ ও ত্রাণ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে প্রতিটি মণ্ডপে আধা টন করে চাল দেওয়া হবে।

কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল বাসায় মোহাম্মদ ফখরুজ্জামান বলেন, দুর্গাপূজা উপলক্ষে নেওয়া হবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রতিটি মণ্ডপে সার্বক্ষণিক পরুষ ও মহিলা আনসার সদস্য নিয়োগ করা হবে। পাশাপাশি প্রতিটি মণ্ডপে নিজস্ব ভলান্টিয়ার থাকবে।


মন্তব্য