kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


টাঙ্গাইলের ফারুক হত্যা মামলার সংসদীয় তদন্তের দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক    

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:২৪



টাঙ্গাইলের ফারুক হত্যা মামলার সংসদীয় তদন্তের দাবি

টাঙ্গাইলের মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমদ হত্যা মামলার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায় বিচার নিশ্চিত করতে সংসদীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী। আজ বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বরাবর লিখিত আবেদনে এ  দাবি জানানো হয়।

স্থানীয় আওয়ামী লীগের পক্ষে মো. আবু তাদের স্বাক্ষরিত আবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিপক্ষকে ফাঁসাতে মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। এরপর আওয়ামী লীগকর্মী আনিসুল ইসলাম রাজা ও মোহাম্মদ আলীকে আটক করে তাদের ওপর নির্যাতন চালিয়ে ও ক্রস ফায়ারের ভয় দেখিয়ে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করা হয়। ওই জবাববন্দির ভিত্তিতে স্থানীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান রানা ও তার তিন ভাইকে আসামি করে গত ৩ ফেব্রুয়ারি অভিযোগপত্র দাখিল করে পুলিশ। অথচ দুইবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ। তাঁর প্রচেষ্টায় সর্বশেষ নির্বাচনে তিনি (রানা) ৬০ হাজার ভোটের ব্যবধানে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। অথচ সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীর নির্দেশে এমপি রানার ভাই আওয়ামী লীগ নেতা শহীদ আমিনুর রহমান খাঁন বাপ্পি ও এনজিওকর্মী শহীদ মতিউর রহমান মতিন হত্যা মামলার আসামি সিদ্দিকী পরিবারের দুই সদস্য খুনি সন্ত্রাসী মুরাদ সিদ্দিকী ও আজাদ সিদ্দিকী এবং কুখ্যাত রাজাকার মৃত জব্বার মুক্তারের ছেলে বিএনপি নেতা আলী ইমাম তপনকে বাঁচাতে ডিবি পুলিশকে দিয়ে এ জজ মিয়ার নাটক সাজানো হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, লিখিত আবেদন সভাপতির দপ্তরে জমা পড়েছে। আগামীতে কমিটির বৈঠকে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে। কমিটির সদস্যরা চাইলে বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি টাঙ্গাইল পৌর এলাকার কলেজপাড়ায় নিজ বাসার কাছে ফারুক আহমদের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া যায়। পরে তার স্ত্রী নাহার আহমেদ বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রধান আসামি এমপি রানা গত ১৮ সেপ্টেম্বর আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করেন।


মন্তব্য