kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মঠবাড়িয়ার বাদুরা খালের বাঁধের সমস্যা নিরসনে মতবিনিময়

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, পিরোজপুর    

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:৫৩



মঠবাড়িয়ার বাদুরা খালের বাঁধের সমস্যা নিরসনে মতবিনিময়

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ার মিরুখালী ইউনিয়নের বাদুরা খালের (ভূতার খাল) অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ ও তা অপসারণে করণীয় বিষয়ে মতনিমিয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরিবেশবাদী সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বরিশাল অঞ্চল শাখার উদ্যোগে আজ বুধবার মঠবাড়িয়া মহিউদ্দিন মহিলা কলেজ মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে বাঁধসংশ্লিষ্ট এলাকার ভুক্তভোগী কৃষক, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক এবং  পরিবেশকর্মীরা অংশ নেন।

সহকারী অধ্যাপক ইকতিয়ার হোসেন পান্নার সভাপতিত্বে সভায় বাদুরা খালের অপরিকল্পিত বাঁধ সমস্যা ও কৃষিসহ জনজীবন বাঁচাতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) বরিশাল বিভাগীয় সমন্বয়কারী লিংকন বায়েন।

আলোচনায় অংশ নেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. আজিজুর রহীম, মিরুখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সোবাহান শরীফ, সামাজিক উদ্যোক্তা সুভাষ মজুমদার, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সুনীল চন্দ্র, মিরখালী স্কুল অ্যান্ড কলেজ অধ্যক্ষ মো. আলমগীর হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি আবদুস সালাম আজাদী, সমাজসেবক ইলিয়াস হোসেন, কৃষক নেতা মো. শাহ আলম, সাংবাদিক দেবদাস মজুমদার, মিজানুর হমান মিজু, বেলার আইসজীবী সাঈদ আহম্মেদ কবির প্রমুখ। সভায় আলোচকরা মঠবাড়িয়ার বড় শৌলা কৃষিব্লকের বাদুরা ভূতার খালের অপরিকল্পিত বাঁধের কারণে কৃষি ও জনজীবনের বিপর্যয় তুলে ধরেন। খালের এ বাঁধের কারণে এলাকার কৃষিতে মারাত্মক বিপর্যয়ের কারণে দ্রুত বাঁধ অপসারণসহ খালে বেরিবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান।

উল্লেখ্য, মঠবাড়িয়ার মিরুখালী ইউনিয়নের বাদুরা খালে (ভূতার খাল) ২০১০ সালে স্থানীয় কৃষকরা কৃষিজমিতে লবন পানির আগ্রাসন রোধে স্বেচ্ছাশ্রমে অপরিকল্পিতভাবে বাঁধ দেয়। এ বাঁধের কারণে অন্তত ১৫টি গ্রামে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এতে শত শত এলাকার কৃষিজমি অনাবাদি হয়ে পড়লে কৃষকরা বিপাকে পড়েন। পরে কৃষকরা বাঁধ অপসারণের চেষ্টা করলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহলের বাধার মুখে পড়েন কৃষকরা। বাঁধ অপসারণে বিপর্যস্ত কৃষকরা কয়েকদফা মানববন্ধন করেন। এ ছাড়া জনস্বার্থে বাঁধ অপসারণে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা) ও স্থানীয় কৃষকরা বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দাখিল করেন।

 


মন্তব্য