kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শেরপুরে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

শেরপুর প্রতিনিধি   

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:১৭



শেরপুরে দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় নকলা-নালিতাবাড়ী দুই লেন সড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে গড়ে উঠা দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করছে প্রশাসন। আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এ উচ্ছেদ অভিযান চলে।

শেরপুর কালেক্টরেটর নির্বাহী ম্যাজিস্টেট দেবাংশু কুমার সিংহ এর নেতৃত্বে জেলা ও উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তা, পুলিশ ও র‌্যাবের উপস্থিতিতে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়।

জেলা প্রশাসন ও সওজ সূত্র জানায়, প্রায় তিন বছর যাবৎ নকলা উপজেলা থেকে নালিতাবাড়ী হয়ে নাকুগাঁও স্থলবন্দর পর্যন্ত ২৯ কিলোমিটার সড়কে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে দুই লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই বেশিরভাগ রাস্তার কাজ কোথাও অর্ধেক কোথাও বা শেষ পর্যায়ে। কিন্তু নালিতাবাড়ী উপজেলার বাইটকামারী এলাকায় এক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ১৭৯ জন অবৈধ দখলদার সরকারি ১৮ বিঘা খাসজমি দখল করে বাড়িঘর ও নানা স্থাপনা নির্মাণ করে দখলে রাখে। এতে ওই এক কিলোমিটার এলাকায় রাস্তার উন্নয়ন কাজ বন্ধ ছিল। প্রায় ৮ মাস আগে তাদের এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হলেও কেউ তা সরায়নি। ফলে আজ সোমবার শেরপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাংশু কুমার সিংহের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র‌্যাবের উপস্থিতিতে বাইটকামারী গ্রামে রাস্তার দুই পাশজুড়ে এক কিলোমিটার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় শেরপুর সওজের কর্মকর্তা, পুলিশের কর্মকর্তা, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

তবে বেশ কিছু উচ্ছেদকৃত ব্যক্তি তাদের রেকর্ডীয় জমির অংশ রাস্তায় পড়েছে এবং এজন্য কোন ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন। এমনকি কোন প্রকার নোটিশ দেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করেন স্থানীয় আব্দুস সালাম, দুলালী বেগম ও গিয়াস উদ্দিন।

এ ব্যাপারে শেরপুর কালেক্টরেটর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দেবাংশু কুমার সিংহ বলেন, ১৭৯ জন দখলদার সড়কের দুই পাশে সরকারের পাঁচ একর জমিতে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করেছিলেন। এসব সরাতে নোটিশের মাধ্যমে তাদেরকে একাধিকবার জানানো হয়েছে। মাইকিং করা হয়েছে। তাতেও কোন কাজ না হওয়ায় অবৈধ দখলদারদের স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে।


মন্তব্য