kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

শেরপুরের ১৫০ পূজামণ্ডপে উদযাপিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব

শেরপুর প্রতিনিধি    

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:২৯



শেরপুরের ১৫০ পূজামণ্ডপে উদযাপিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসব

শেরপুর জেলায় এবার ১৫০টি পূজামণ্ডপে উদযাপিত হবে সনাতন ধর্মাবলম্বী বাঙালী হিন্দুদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আজ রবিবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ রজনীগন্ধায় অনুষ্ঠিত এক প্রস্তুতি সভায় এমন তথ্য জানানো হয়।

এ ছাড়াও সভায় সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে দুর্গোৎসব উদযাপনের লক্ষ্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষাসহ আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সর্বোচ্চ সতর্কতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।  

শেরপুর সদরে ৭৪টি, নালিতাবাড়ী উপজেলায় ৩৪টি, নকলায় ১৬টি, ঝিনাইগাতীতে ১৭টি ও শ্রীবরদী উপজেলায় ৯টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের প্রস্তুতি চলছে।  

জেলা প্রশাসক ডা. এ এম পারভেজ রহিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে একজন পুলিশ এবং একাধিক পুরুষ ও মহিলা আনসার ছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এছাড়া জেলা ও উপজেলা শহরের বাইরে থাকা মণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অধিকতর জোরদারকরণ, আজানের সময় পূজার মাইক বন্ধ রাখা ও রাত সাড়ে ১২টার পর পূজা উৎসব মূলতবি রাখা এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ ও র‌্যাবের নিয়মিত টহলসহ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

সমাপনী বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজায় সেই সম্প্রীতি যেন কোনভাবেই বিনষ্ট না হয় এবং পূণ্যার্থী ও পূজারিরা যেন নির্বিঘ্নে তাদের উৎসব পালন করতে পারেন, সেজন্য সরকারের সদিচ্ছায় প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রয়েছে। কাজেই অন্য কোন অপতৎপরতায় ভীত না হয়ে উৎসব উৎসবের মতোই করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর পাশাপাশি সকলের সর্বাত্মক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এটিএম জিয়াউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম, পৌর মেয়র গোলাম মোহাম্মদ কিবরিয়া লিটন, সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার (হেডকোয়ার্টার) আব্দুল্লাহ ইবনে কালাম, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দেবাশীষ ভট্টাচার্য, সাধারণ সম্পাদক কানু চন্দ্র চন্দ, প্রেসক্লাব সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার, সাংবাদিক সঞ্জীব চন্দ বিল্টু। এ ছাড়াও সভায় ৫ উপজেলার ইউএনও ছাড়াও জেলা পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকগণ উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য