kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নীলফামারীতে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত: আরো তিনজন কারাগারে

নীলফামারী প্রতিনিধি   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:৩৮



নীলফামারীতে পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত: আরো তিনজন কারাগারে

নীলফামারীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির বকেয়া বিদ্যুৎ বিলের টাকা আদায়ের কাজে বাধা সৃষ্টি, কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত ও চাঁদা দাবির অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আরো তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। অপরদিকে একই মামলায় অপর দুজনের জামিন মঞ্জুর করা হয়।

আজ রবিবার সকালে নীলফামারী জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মো. আকরাম হোসেন এ আদেশ দেন।  

কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন- মামলার প্রধান আসামি নুরন্নবী সরকার (২৫), তার বড় ভাই লিটন মিয়া (২৭) ও চাচাতো ভাই দুখু মিয়া (২৪)। আর জামিন পাওয়া আসামিরা হলেন-নুরুন্নবীর মা নুর নাহার বেগম (৪৫) ও তার চাচী বিলকিস বেগম (৩৮)।  

এ ব্যাপারে আদালত পুলিশের উপ-পরিদর্শক (সিএসআই) নুর আলম বলেন, রবিবার সকালে মামলার অপর পাঁচ আসামি আদালতে হাজির হয়ে জেলহাজতে থাকা নুর আলমসহ ছয়জনের জামিনের আবেদন করলে আদালত নুর নাহার বেগম ও বিলকিস বেগমের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করলেও অপর চারজনের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ প্রসঙ্গে নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বাবুল আকতার বলেন,‘পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত, কাজে বাধা সৃষ্টি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে ছয়জনকে আসামি করে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় থানায় একটি মামলা দায়ের করেন নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রশাসনিক কর্মকর্তা তরফদার এনামুল কবীর।

মামলার সূত্র মতে, গত মঙ্গলবার দুপুরে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সহকারী মহা ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) মো. আবু হাসানের নেতৃত্বে বকেয়া বিদ্যুৎ বিল আদায়ের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি দল সদর উপজেলার চড়াইখোলা ইউনিয়নের পশ্চিম কুচিয়ার মোড় গ্রামে যান। এ সময় ওই গ্রামের নূরন্নবী সরকার (২৫) এবং দুখু মিয়ার (২৪) নেতৃত্বে ছয় থেকে সাতজনের একদল যুবক এসে কাজে বাধা সৃষ্টি ও চাঁদা দাবি করেন। কর্তব্যরতরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে হামলা চালিয়ে তাদেরকে শারিরীকভাবে লাঞ্ছিত করেন ওই যুবকরা। তাদের সাথে যোগ দেন নুরুন্নবীর মা নুর নাহার বেগম (৪৫) ও তার চাচী বিলকিস বেগমের (৩৮)। এ ঘটনায় সহকারী মহা ব্যবস্থাপক মো. আবু হাসান আহত হন। পরে পুলিশের সহযোগিতায় তাঁকে উদ্ধার করে নীলফামারী সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনার পর ওই রাতে নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির প্রশাসনিক কর্মকর্তা তরফদার এনামুল কবীর বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে নীলফামারী সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।


মন্তব্য