kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


সিলেটে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:০৮



সিলেটে পুকুর থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়াই কাল হলো ইমরান হোসেন (২৫) নামে এক দর্জির। পাঁচদিন পর প্রেমিকার বাড়ির পুকুর থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় ওই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার মধ্যরাতে প্রেমিকার বাড়ির পুকুর থেকে ইমরানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রেমিকাসহ চারজনকে আটক করা হয়েছে। ইমরান উপজেলার সদর ইউপির সোনাপুর গ্রামের পোস্ট মাস্টার মো. আবু বক্করের ছেলে। কানাইঘাট পৌর শহরে চয়েস টেইলার্সের স্বত্বাধিকারী তিনি। পুলিশ জানায়, গত সোমবার সুহাদা বেগমের ভাই ইমরান আহমদ ও নিকটাত্মীয় জাহাঙ্গীর মোটরসাইকেলযোগে প্রেমিক ইমরান হোসেনকে নিয়ে সুহাদার স্বামীর বাড়িতে যান।

এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ। দুই দিন পর ইমরানের বাবা আবু বক্কর কানাইঘাট থানায় সাধারণ ডায়রি (জিডি) করেন। পুলিশ ইমরান হোসেন নিখোঁজের রহস্য উদঘাটনের জন্য অভিযান চালিয়ে সুহাদা বেগম, তার দেবর মাসুম আহমদ ও নিকটাত্মীয় জাহাঙ্গীর আহমদকে আটক করেন। তাদের স্বীকারোক্তির সূত্র ধরে এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী ইমরান হোসেনের পরকীয়া প্রেমিকা সুহাদা বেগমকে শুক্রবার বিকেলে আটক করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের পর ইমরান হোসেন হত্যাকাণ্ডের রোমহর্ষক বর্ণনা ও মরদেহ গুম করার কথা স্বীকার করেন সুহাদা বেগম। সোমবার রাতেই ইমরান হোসেনকে হত্যার পর মরদেহ গুম করতে চটের বস্তায় ভরে পুকুরে গাছের শেকড়ের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। এ জবানবন্দির সূত্র ধরে শনিবার রাতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবিরের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সুহাদার শ্বশুড়বাড়ির পুকুর থেকে ইমরান হোসেনের বস্তাবন্দি অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেন। পরে ইমরান হোসেনের মরদেহ থানায় নিয়ে আসা হয়।

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হুমায়ুন কবির বলেন, প্রবাসী বদরুল ইসলামের স্ত্রী সুহাদা বেগমের সঙ্গে ইমরানের পরকীয়া সম্পর্কের জের ধরে রোমহর্ষক খুনের ঘটনাটি ঘটে। সুহাদার বিয়ের আগেও ইমরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিলো। তিনি বলেন, সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে প্রেমিকা সুহাদা বেগম (২১), তার ভাই ইমরান আহমদ, দেবর মাসুম আহমদ ও নিকটাত্মীয় উপজেলার দক্ষিণ লক্ষীপ্রসাদ গ্রামের উমর আলীর ছেলে জাহাঙ্গীর আলমকে আটক করা হয়।

 


মন্তব্য