kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবলের লাশ : তিন দিনে ১৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেরপুর প্রতিনিধি   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:৫৬



শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবলের লাশ : তিন দিনে ১৭ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ

শেরপুর জেলা পুলিশ লাইন্সের নিহত কনস্টেবল রাকিবুল হাসানের লাশ উদ্ধারের তিন দিনেও পুলিশ রহস্য উদঘাটনে কোন কুলকিনারা করতে পারেনি। এই তিন দিনে ঘটনাস্থলের আশপাশের এলাকার ৬ নারীসহ অন্তত ১৭ জনকে সদর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।

তবে তাদের কাউকেই পুলিশ কনস্টেবল রাকিবুল হত্যা মামলায় আটক কিংবা গ্রেপ্তার দেখায়নি।  
তবে গত সোমবার থানায় নিয়ে আসা পূর্ব শেরি মহল্লার ‘নীলার মা’ খ্যাত শামীমা আক্তার মিনু বেগমকে দুই দিন পর আজ বুধবার বিকেলে বিচারিক হাকিমের আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। এ বিষয়ে সদর থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন, নীলার মা’কে পুলিশ কনস্টেবল রাকিবুল হত্যা মামলায় নয়, তাকে বিশেষ ক্ষমতা আইনের ৫৪ ধারায় আটক দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।  

ওসি নজরুল ইসলাম আরো জানান, রাকিবুল হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনে লাশ উদ্ধারের ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকা থেকে জব্দকৃত আলামতগুলো ফরেনসিক টেস্টে পাঠানো হবে।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, রাকিবুল হত্যার রহস্য উদঘাটনে তদন্তের স্বার্থে কয়েকজনকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে নিহত রাকিবুলের মোবাইল ফোনের কললিস্ট পরীক্ষা ও পর্যালোচনা করা হয়েছে। মোবাইল ফোনের কললিস্ট ও ম্যাসেজ আদান-প্রদানের আরো বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার সকাল ৭টার দিকে শেরপুর পুলিশ লাইন্স সংলগ্ন শহরের পূর্বশেরি এলাকার বাটারাঘাট রাস্তার পাশের একটি বৈদ্যুতিক খুঁটির নীচ থেকে কনস্টেবল রাকিবুল হাসানের রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের পিতা মো. শাহজাহান আলী বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহত রাকিবুলের কনস্টেবল নং-২২৭।  
জানা গেছে, টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার শৈলকুড়িয়া গ্রামের অধিবাসী কনস্টেবল রাকিবুল গত বছরের ১২ নভেম্বর পুলিশে যোগদান করে প্রায় ১১ মাস ধরে শেরপুর পুলিশ লাইন্সে কর্মরত ছিলেন।


মন্তব্য