kalerkantho

বুধবার । ৭ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা: আটক পাঁচজনকে অব্যাহতি

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:৪২



শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা: আটক পাঁচজনকে অব্যাহতি

ফাইল ছবি

কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার ঘটনায় আটক সন্দেহভাজন পাঁচজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত। তাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ না থাকায় পুলিশ প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার দুপুরে কিশোরগঞ্জ আদালতের মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. আবদুস ছালাম এ আদেশ দেন।


 
কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মীর মোশারফ হোসেন জানান, তদন্ত শেষে আটক পাঁচজনের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি।
 
প্রসঙ্গত, গত ঈদুল ফিতরের দিন সকালে শোলাকিয়ায় পুলিশের ওপর জঙ্গি হামলার ঘটনায় এই পাঁচজনকে ঘটনাস্থলের আশপাশ থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে ৫৪ ধারায় আটক করেছিল পুলিশ। তারা হলেন- শোলাকিয়া গরুরহাট এলাকার মোশারফ হোসেনের ছেলে মামুনুর রশিদ (২৭), শহরের বয়লা এলাকার আব্দুল হাইয়ের ছেলে মো. সানাউল্লাহ (৩০), বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর এলাকার মো. শামসুদ্দিনের ছেলে সোহেল মিয়া (২০), ভৈরব উপজেলার পঞ্চবটি এলাকার মৃত আব্দুল জলিলের ছেলে তারা মিয়া (২৫) ও শহরের তারাপাশা এলাকার মৃত মাহবুবুল ইসলামের ছেলে আরিফুল ইসলাম হাসিব (২৬)। শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার মামলায় বর্তমানে এদের মধ্যে দুজন জেলহাজতে আছে। তারা হলেন- জঙ্গিদের আশ্রয়দাতা গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জের পান্থপাড়ার আনোয়ার হোসেন (৪৫) ও কিশোরগঞ্জ সদরের  জাহিদুল হক তানিম (২৫)।
 
তবে এর আগে মামলার মূল আসামি জঙ্গি শফিউল ইসলাম ময়মনসিংহের নান্দাইলে র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে মারা যায়। শোলাকিয়ায় হামলার দিন পুলিশের গুলিতে মারা যায় আবির রহমান নামে আরেক জঙ্গি। অপরদিকে জঙ্গিদের হামলায় পুলিশের দুই সদস্য ও একজন নারীও নিহত হন।
 
এ ব্যাপারে ঘটনার তিন দিন পর(১০ জুলাই) পাকুন্দিয়া থানার ওসি(তদন্ত) বাদী হয়ে কিশোরগঞ্জ থানায় নিহত জঙ্গি শফিউল ও  স্থানীয় যুবক জাহিদুল হক তানিমের নাম উল্লেখ করে আজ্ঞাত আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় অব্যাহত পাওয়া পাঁচজনকে আসামি করা হয়নি।
 
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কিশোরগঞ্জ মডেল থানার ওসি(তদন্ত) মোর্শেদ জামান জানান, যারা আজ অব্যাহতি পেয়েছেন। তাদের সন্দেহভাজন হিসেবে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয়েছিল। পুলিশ তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগের প্রমাণ পায়নি। এভাবে তাদের বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দেওয়া হয়। আর এ কারণেই তারা মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।


মন্তব্য