kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার

শেরপুর প্রতিনিধি   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:০৪



শেরপুরে পুলিশ কনস্টেবলের লাশ উদ্ধার

শেরপুর পুলিশ লাইনের রাকিবুল হাসান (২০) নামে এক কনস্টেবলের লাশ পুলিশ লাইন থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে রাস্তার পাশের ৪৪ কেবি লাইনের বিদ্যুতের খুটির নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে খবর পেয়ে শেরপুর সদর থানা পুলিশ ওই বৈদ্যুতিক খুটির নীচ থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় তার লাশটি উদ্ধার করে।

প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্টে নিহত কনস্টেবল রকিবুলের (নং-২২৭) মাথায় ও পায়েসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহৃ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, গতকাল রবিবার রাত থেকে আজ সোমবার ভোরের কোন এক সময় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কে বা কারা হত্যা করে ওই বিদ্যুৎ টাওয়ারের নিচে লাশ ফেলে রেখে যায়।

পুলিশ লাইনের রির্জাভ অফিস সূত্রে জানা গেছে, রকিবুল হাসানের গ্রামের বাড়ি টাঙ্গাইল জেলার দেলদুয়ার উপজেলার পুটিয়াজানির শৈলকুড়িয়া গ্রামে। তার বাবা মো. শাহজাহান মিয়া দীর্ঘদিন থেকে বিদেশ থাকেন। গত বছরের ১২ নভেম্বর রকিবুল পুলিশে চাকরি পেয়ে প্রথমে যোগদান করেন শেরপুর পুলিশ লাইনে।

তার ব্যাচ ম্যাট ও পুলিশ লাইনের অন্যান্য কনস্টেবলরা জানায়, রকিবুল খুবই শহজ সরল ও নিরিবিলি থাকতেন। তার কোন শত্রু থাকতে পারে কেউ ভাবতে পারছে না। এছাড়া তিনি শেরপুরে এসেছেন মাত্র ১১ মাস হয়।

এদিকে রকিবের লাশ উদ্ধারের পর জেলা পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা, সিআইডি, ডিবি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। অপরদিকে শহরের পুলিশ লাইনের পাশেই পুলিশ সদস্য খুন হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। সেই সাথে পুলিশ লাইন সংলগ্ন শহরের বহুল আলোচিত ‘নীলার মা’ নামে পরিচিত মিনু বেগম এর বাড়িতে ব্যাপক তল্লাশি চালায় পুলিশ। এ সময় পুলিশ ওই বাড়ির মালিক মিনা বেগমকে বাড়িতে না পেলেও পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শহর থেকে তাকে আটক করেছে।

তবে প্রাথমিক তদন্তের আগেই এখনই পুলিশ এ ঘটনার বিষয়ে কোন কিছু বলতে রাজি হয়নি সদর থানার ওসি মো. নজরুল ইসলাম।


মন্তব্য