kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন

ঝালকাঠিতে একুশে টিভি প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা

ঝালকাঠি প্রতিনিধি    

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:০২



ঝালকাঠিতে একুশে টিভি প্রতিনিধির বিরুদ্ধে মামলা

ঝালকাঠিতে একুশে টিভির জেলা প্রতিনিধি আজমির হোসেন তালুকদারের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা হয়েছে। ঝালকাঠি থেকে প্রকাশিত দৈনিক শতকণ্ঠ সম্পাদককে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে মানহানিকর মন্তব্য করায় এ মামলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ সোমবার বেলা ১২টায় ঝালকাঠির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে শতকণ্ঠ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের বিচারক জাহেদ আহমেদ ঝালকাঠি থানার ওসিকে অভিযোগটি এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ২৫ আগস্ট একুশে টিভির জেলা প্রতিনিধি আজমির হোসেন তালুকদার তাঁর ফেসবুক টাইমলাইনে 'বিজ্ঞপ্তি চাপা দিতে দেড় লাখ টাকা নিলেন এক সম্পাদক, ঝালকাঠি জেলা পরিষদের তিন কোটি টাকার ৫৩ গ্রুপ টেন্ডার গুছিয়ে নিতে তৎপর টেন্ডারবাজি সিন্ডিকেট' শিরোনাম দিয়ে একটি লেখা পোস্ট করেন। লেখাটিতে তিনি বাংলাদেশ আঞ্চলিক সংবাদপত্র পরিষদের মহাসচিব ও দৈনিক শতকণ্ঠ সম্পাদককে জড়িয়ে মানহানিকর মন্তব্য করেন। এ ঘটনায় দৈনিক শতকণ্ঠ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় অভিযোগ এনে আজমির হোসেন তালুকদারের বিরুদ্ধে গত ৮ সেপ্টেম্বর ঝালকাঠি থানায় একটি অভিযোগ দেন। অভিযোগটি পুলিশ ১০ দিনেও এজাহারভুক্ত না করায় আজ সোমবার জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু বাদী হয়ে ঝালকাঠির জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতে নালিশি অভিযোগ দায়ের করেন। বিচারক অভিযোগটি ঝালকাঠি থানার ওসিকে এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করার নির্দেশ দেন।

শতকণ্ঠ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মনজুর আইনজীবী হিসেবে আদালতে উপস্থিত ছিলেন আব্দুল বারেক বারী, বনি আমিন বাকলাই ও মানিক আচার্য্য।

শতকণ্ঠ সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু বলেন, "সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক এখন জনপ্রিয়। কিন্তু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন লঙ্ঘন করে ফেসবুকের অপব্যবহারও হচ্ছে। একুশে টিভির ঝালকাঠি প্রতিনিধি আজমির হোসেন তালুকদার তাঁর ফেসবুকের টাইমলাইনে আমাকে জড়িয়ে গত ২৫ আগস্ট একটি মানহানিকর পোস্ট করেন। এতে আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হয়। আমি ঝালকাঠি থানায় আজমির হোসেনের নামে একটি অভিযোগ দিলেও পুলিশ তা এজাহার হিসেবে নেয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আদালতে মামলা করেছি। "

এ ব্যাপারে আজমির হোসেন তালুকদার বলেন, "আমি কোনো আক্রোশমূলক কথা লিখিনি তাঁর বিরুদ্ধে, কেবল একটি টেন্ডার ও দুর্নীতির বিষয়ে রিপোর্ট করেছি। আমার কাছে ঠিকাদারদের অভিযোগের কপি রয়েছে। এখন যদি সে (জাহাঙ্গীর হোসেন মনজু) আইনের আশ্রয় নিয়ে থাকে, তাহলে আমিও আইনি প্রক্রিয়ায় জবাব দেব।

 


মন্তব্য