kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১২:৩৪



বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ

বেনাপোল বন্দরে একটি সিঅ্যান্ডএফ প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সের বিল লক ও এক কর্মচারীর কাস্টমস পারমিট কার্ড বাতিলের প্রতিবাদে ৩ ঘণ্টার কর্মবিরতি শুরু হয়েছে। ফলে বন্দরে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য ও পণ্য খালাস বন্ধ রয়েছে।

তবে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে ওই সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীর শুল্ক ফাঁকিতে সহযোগিতা না করায় সে কাস্টমস কর্মকর্তার গায়ে হাত তুলেছে। এতে তার ও তার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসন এ ব্যবস্থা নিয়েছে। আজ সোমবার সকাল ৯টা থেকে সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীদের ডাকে শুরু হয়েছে এ কর্মবিরতি। চলবে দুপুর ১২টা পর্যন্ত।

বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা তিতুদির আহম্মেদ সোমবার সকাল ১০টায় জানান, সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীরা কাজ না করাতে সকাল ৯টা থেকে এ পথে ভারতের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। কর্মবিরতি শেষে বাণিজ্য শুরু হবে বলে জানান তিনি। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের অতিরিক্ত কমিশনার ফিরোজ উদ্দিন জানান, ওই সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারী অনিয়ম করে শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করছিলেন। এ সময় তার সে কাজে সহযোগিতা না করায় আমিরুল ইসলাম নামে কাস্টমসের এক সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তাকে তিনি মারধর ও লাঞ্ছিত করেন। এতে ওই সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারী ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এই প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারী স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নাসির হোসেন জানান, বেনাপোল বন্দর থেকে সরকারকে হাজার হাজার কোটি টাকার আমদানি শুল্ক পরিষদের প্রধান ভূমিকায় রয়েছে সিঅ্যান্ডএফ কর্মচারীরা। কিন্তু কাস্টমস্ কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের কোনো সন্মান নাই। আমদানি পণ্য ছাড় করানোর কাজে কোনো নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিভিন্ন ভাবে তাদের হয়রানি ও নাজেহাল হতে হয়। এসব অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় একটি লাইসেন্সের বিল লক ও তাদের এক কর্মচারীর কাস্টমস্ পারমিট বাতিল করে। এবং তাদের বিরুদ্ধে মারধরের মিথ্যা অভিযোগ আনে। এর প্রতিবাদে এ কর্মবিরতি ডাকা হয়েছে। দাবি না মানলে পরবর্তীতে বড় ধরনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি।

 


মন্তব্য