kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নানীকে বাঁচাতে গিয়ে মামার বটির কোপে ভাগিনা জখম

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি   

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:২৮



নানীকে বাঁচাতে গিয়ে মামার বটির কোপে ভাগিনা জখম

লক্ষ্মীপুরে নানী মনোয়ারা বেগমকে (৫৫) বাঁচাতে গিয়ে মামা সেলিমের (৩৫) বটির কোপে ভাগিনা রোহান হোসেন (১৪) গুরুতর আহত হয়েছে। ধারালো বটির আঘাতে ভাগিনার পেটের ভুড়ি বেরিয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।

 আজ শনিবার সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুর পৌরসভার লামচরী গ্রামের নজির উদ্দিন মাঝী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পর থেকে মামা সেলিম পলাতক রয়েছেন।

আহত রোহান একই গ্রামের বসিন্দা বিধবা মা মিনরা বেগমের ছেলে ও দারুল আমান একাডেমির ৮ম শ্রেণির ছাত্র। পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্বজনরা জানায়, পুত্রবধূ পারভিনের সাথে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদের ঘটনা ঘটতো সেলিমের মা মনোয়ারা বেগমের। আজ শনিবার সকালে তার সাথে পুত্রবধূর বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটে। পরে বিকেলে তার ছেলে বাড়িতে আসলে বউয়ের উস্কানিমূলক কথায় মাকে মারধর করতে আসে ছেলে সেলিম। এক পর্যায়ে মাকে মারার জন্য বটি হাতে নিয়ে তাড়া করলে নানীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসে রোহান। এ সময় মামার হাতে থাকা বটির আঘাতে রোহানের পেট কেটে ভুড়ি বেরিয়ে আসে।

মনোয়ারা বেগম সাংবাদিকদের জানান, বউয়ের উস্কানিমূলক কথা শুনে ছেলে সেলিম তাকে মারতে আসে। এ সময় তার নাতি রোহান মামার হাত থেকে নানীকে বাঁচাতে গিয়ে বটির আঘাতে গুরতর আহত হয়।

সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার (আরএমও) আনোয়ার হোসেন জানান, আহত রোহানের পেটের অবস্থা খুবই গুরুতর। বটির আঘাতে তার পেটের ভুঁড়ি বের হয়ে গেছে। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য