kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


হোমনায় সন্ত্রাসী হামলা ভাঙচুর, লুটপাট, আহত ৬

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি    

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৪:০৬



হোমনায় সন্ত্রাসী হামলা ভাঙচুর, লুটপাট, আহত ৬

কুমিল্লার হোমনায় মামলায় জামিনে বের হয়ে ইসমাইল ও ইব্রাহিমের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে একটি পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে বাধা দিতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের ধারালো অস্ত্রের এলাপাতাড়ি কোপের আঘাতে নারীসহ একই পরিবারের ছয়জন গুরুতর আহত হয়েছে।

গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার ঘাগুটিয়া ইউনিয়নের দড়িচর পূর্বপাড়ার বাচ্চু মিয়ার বাড়িতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন মৃত রহম প্রধানের ছেলে মো. বাচ্চু মিয়া (৭৫), তাঁর স্ত্রী হনুফা বেগম (৬৫), বাচ্চু মিয়ার ছেলে ফজলুল হক (৩৫), তাঁর স্ত্রী রুমি বেগম (২৮), বাচ্চু মিয়ার মেয়ে মিনা হোসাইন নুরি এবং তাইজুল ইসলামের স্ত্রী নাসিমা আক্তার (২২)। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। এদের মধ্যে হনুফা, মিনা এবং ফজলুল হকের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাদের ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার দড়িচর গ্রামের মৃত রহম আলী প্রধানের ছেলে বাচ্চু মিয়ার পরিবারের সঙ্গে একই গ্রামের মৃত ছাফত আলীর ছেলে ভূমি খেকো ইসমাইল ও ইব্রাহিম গংদের বিরোধ চলছে দীর্ঘদিন ধরে। এর জের ধরে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় রাতে ইসমাইল ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ভাড়াটে সন্ত্রাসীসহ বাচ্চু মিয়ার পরিবারের ‌ওপড় হামলা চালায়। এতে দুটি ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। হামলায় এলাকায় ত্রাস ছড়িয়ে পড়ে। এ ঘটনায় বাচ্চু মিয়াসহ তার পরিবারের ছয়জন গুরুতর জখম হয়। সন্ত্রাসীরা চলে গেলে প্রতিবেশীরা এসে আহতদের উদ্ধার করে হোমনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। খবর পেয়ে পুলিশ আহতদের দেখতে হাসপাতালে যায়।

ইসমাইল হোসেন বলেন, "ওরা আমাদের সীমানা প্রাচীর ভেঙে ফেলায় আমরা থানায় মামলা করেছি। ওরা জামিনে এসে আমাদের উপর হামলা চালায়। " মিনা আক্তার বলেন, "আমরা অসহায় বিধায় সন্ত্রাসীরা আমদের ওপর হামলা চালায়। আমাকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে। ইসমাইল মানুষের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদেরকে হয়রানি করে তাদের জায়গা সম্পত্তি দখল করে নেয়। " হোমনা থানার ওসি রসুল আহমদ নিজামী বলেন, "আমরা বিষয়টি জেনেছি। আহতদের হাসপাতালে দেখেছি। তাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে থানায় একটি মামলা নেওয়া হয়েছে। "

 


মন্তব্য