kalerkantho


খুলনায় অর্ধেক দামে চামড়া কেনা-বেচা, পাচারের আশঙ্কা

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৭:৪৪



খুলনায় অর্ধেক দামে চামড়া কেনা-বেচা, পাচারের আশঙ্কা

গত বছরের তুলনায় এ বছর খুলনায় অর্ধেক দামে চামড়া কেনা-বেচার হচ্ছে। এ কারণে ব্যাপারিরা গত বছরের চেয়ে অর্ধেক দামে চামড়া সংগ্রহ করতে পেরেছেন।

ব্যাপারিরা জানান, দাম কম হওয়াতে এবার চামড়া পাচারের আশঙ্কা রয়েছে।

খুলনা মহানগরীর শেখপাড়ার শহীদুল লেদারের স্বত্তাধিকারী শহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদের আগেও ৭৫ টাকা দামে চামড়া কেনা হয়েছে। ঈদ উপলক্ষে ট্যানারি থেকে চামড়া ৪০ টাকা দরে কেনার জন্য বলেছে। আর ট্যানারি মালিকরা বকেয়া টাকাও দেননি। এ কারণে চামড়ার দাম কমেছে।  

তিনি আরো বলেন, বাজারে চামড়ার দাম কম থাকলে তা পাচারের আশঙ্কা বেড়ে যায়। ব্যাপারিরা চামড়া কিনতে না পারার কারণে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা চামড়া একটু দাম দিয়ে কিনে নিচ্ছে।

টুটপাড়া শেখ সেকেন্দার বলেন, একটি ছোট গরুর চামড়াও গত বছর ১ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ বছর মাঝারি মাপের গরুর চামড়া বিক্রি করে ৫০০ টাকাও পাওয়া গেল না।

এ পরিস্থিতি হতাশাজনক।

জয় মা লেদারের স্বত্তাধিকারী মনু দাশ বলেন, গত বছর তিনি ৭০০টি চামড়া কিনেছিলেন। কিন্তু এ বছর মাত্র ৩০০ চামড়া কিনেছেন। এ বছর চামড়ার দাম অনেক কম। কিন্তু লবণের দাম দ্বিগুন। একেকটি চামড়ায় ৭ কেজি থেকে ৮ কেজি লবণ লাগে। ৩০০ চামড়ার জন্য ইতোমধ্যে ২৪ বস্তা লবণ দেওয়া হয়ে গেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

মোহাম্মদ লেদারের স্বত্তাধিকারী মো. নসিম উদ্দিন বলেন, গত বছর ২ হাজার ৫০০ চামড়া কিনেছিলাম। এ বছর ১ হাজার ৫০০ চামড়া কিনেছি। ট্যানারিতে গত কোরবানির চামড়ার টাকা আটকে আছে। অর্থ সঙ্কটের কারণে এবার চামড়া কিনতে পারছি না। প্রতিটি ব্যবসায়ীর একই অবস্থা। কিন্তু খুলনায় গত বছরের চেয়ে কোরবানির হার বেড়েছে। আর ব্যাপারিরা চামড়া কিনতে না পারার কারণে তা চলে যাচ্ছে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের হাতে। ফলে বাছাইকৃত ভাল ও বড় চামড়াগুলো পাচার হওয়ার আশঙ্কা প্রবল। তিনি বলেন, চামড়া রক্ষার্থে প্রচুর লবণ প্রয়োজন হয়। কিন্তু লবণের দামও দ্বিগুন বেড়েছে।


মন্তব্য