kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শিশু সন্তান ও গর্ভবতী স্ত্রীসহ ইত্তেফাক সংবাদদাতা আহত

মুকসুদপুরে সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি    

১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:১৩



মুকসুদপুরে সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চরপ্রসন্নদী গ্রামে সাংবাদিক পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার রাতে এলাকার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও মোটরসাইকেল চোর চক্রের সদস্য আজম খান ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী এ হামলা চালায়।

এ ঘটনায় ইত্তেফাকের মুকসুদপুর উপজেলা সংবাদদাতা খোন্দকার বেলায়েত হোসেন, তাঁর গর্ভবতী স্ত্রী লিজা বেগম (২৮) এবং তাঁদের সাড়ে তিন বছরের শিশু সন্তান নুহাস খোন্দকার আহত হন। মারাত্মক আহত স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে রাজৈর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

সাংবাদিক ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, গত রবিবার সন্ধ্যায় যুগান্তরের টেকেরহাট  প্রতিনিধি খোন্দকার রুহুল আমিনের ছেলে সজিব খোন্দকার (১৮) বাড়ির অদূরে একটি দোকানে বসে চার বন্ধু চা খাচ্ছিলেন। এ সময় বিল দেওয়া নিয়ে চার বন্ধুদের মধ্যে দুষ্টুমিপূর্ণ কথাবার্তা হচ্ছিল। এ সময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিল সন্ত্রাসী মফিজ ও হৃদয় ওই দুষ্টমি কথাবার্তা নিজেদের মনে করে ক্ষিপ্ত হয়ে সজিব খোন্দকারকে মারধর করে। এ ঘটনার বিচার চাওয়ায় ওই সন্ত্রাসী বাহিনী আরো ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

এর জের ধরে গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে যুগান্তরের টেকেরহাট প্রতিনিধি খোন্দকার রুহুল আমিনের ছোট ভাই ইত্তেফাকের মুকসুদপুর সংবাদদাতা খোন্দকার বেলায়েত হোসেন তাঁর গর্ভবতী স্ত্রী লিজা বেগম ও তাঁদের সাড়ে তিন বছরের শিশু সন্তান নুহাস খোন্দকারকে নিয়ে মোটরসাইকেলযোগে টেকেরহাট থেকে বাড়ির সামনে পৌঁছালে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকা ওই চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা হামলা চালায়। এ সময় হামলাকারীরা মায়ের কোলে থাকা শিশুপুত্র নুহাস খোন্দকারকে কাটার ভেতর ছুড়ে  ফেলে। এতে শিশুর দেহে ১২টি বাবলা গাছের কাটা বিদ্ধ হয় এবং তার গর্ভবতী স্ত্রীকে ব্যাপক মারধর করে তারা। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

খবর পেয়ে সিন্দিয়াঘাট ফাঁড়ির এসআই জালাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ  ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন সাংবাদিক পরিবার। এ ঘটনায় পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এ ঘটনায় গোপালগঞ্জে কর্মরত সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে অবিলন্বে সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানান। সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জালাল উদ্দিন বলেন, "অভিযোগটি গ্রহণ করা হয়েছে। দোষীদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। তবে বিষয়টি এলাকায় মীমাংসার চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

 


মন্তব্য