kalerkantho

শুক্রবার । ২ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


শেরপুরের ৯ স্থানে আগাম ঈদ

শেরপুর প্রতিনিধি    

১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:১৩



শেরপুরের ৯ স্থানে আগাম ঈদ

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু দেশের সঙ্গে মিল রেখে গত কয়েক বছরের ন্যায় এবারও শেরপুরের ৯ স্থানে আজ সোমবার পৃথক পবিত্র ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এসব জামাতে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও পর্দা বজায় রেখে নামাজে অংশ নেন।

তবে সমাজবদ্ধ কোরবানির প্রথা প্রচলিত থাকায় আজ কোনো কোরবানি  সম্পন্ন হয়নি। আগামীকাল সারা দেশের সঙ্গে একযোগে তারা পশু কোরবানি করবেন।

শেরপুর সদরের উত্তর ও দক্ষিণ চরখারচর, মুন্সীরচর, বামনের চর, গাজীরখামার গিদ্দা পাড়া গ্রামে পৃথকভাবে ঈদের আগাম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী মধ্যপাড়া গ্রামে নারী-পুরুষের মাঝখানে পর্দা দিয়ে একসঙ্গে অনুষ্ঠিত হয়েছে আগাম ঈদের জামাত। এতে ইমামতি করেন মাওলানা আব্দুল মোতালেব। একই উপজেলার গোবিন্দনগর চিনামারা গ্রামে আরো একটি বৃহৎ ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন মুফতি হাফিজুল ইসলাম। তিনি বলেন, "আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে ঈদের নামাজ আদায় করলেও কোরবানি করবো আগামীকাল। যেহেতু শরিকের কোরবানি, তাই সবার সঙ্গে মিলে কোরবানি করবো। কোরবানির সময়তো তিন দিন পর্যন্ত থাকে।

নকলা উপজেলার চরকৈয়া গ্রামেও ঈদের আগাম জামাত অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দুই শতাধিক মুসল্লির অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এ ঈদ জামাতে ইমামতি করেন মো. সারোয়ার জাহান। এখানে নারীরাও ঈদের নামাজে অংশ নেন। ঝিনাইগাতী উপজেলার বনগাঁও চতল গ্রামে আরও একটি আগাম ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে পৃথক এসব স্থানে মুসল্লিরা পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন। নামাজের পর পারস্পরিক কোলাকুলি শেষে তারা অংশ নেন প্রীতিভোজে। গত কয়েক বছর ধরে শেরপুরের এসব এলাকায় নিজেদের সুরেশ্বর দরবার শরিফের মুরিদান ও পীরভক্ত বলে দাবিদার কিছু লোক সৌদি আরব, মধ্যপ্রাচ্যের সঙ্গে মিল রেখে দুই ঈদ ও রমজানের রোজা পালন করে আসছেন।

 


মন্তব্য