kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ৪ কিলোমিটার যানজট

মাদারীপুর প্রতিনিধি   

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২১:৪৫



ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে ৪ কিলোমিটার যানজট

ঈদুল-আযহায় ঘরে ফিরতে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। ছুটির দ্বিতীয় দিনে কাওড়াকান্দি ঘাটে তীব্র যানজট ও অব্যবস্থাপনার কারণে ঘাটে নেমেই অসহনীয় ভোগান্তি আর চরম বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ।

গতকাল শনিবার সকাল থেকে আজ রবিার রাত সাড়ে ৭টা পর্যন্ত দেখা যায়, কাওড়াকান্দি ঘাট সংলগ্ন ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যত্রতত্র আটকে আছে নৈশকোচ, পরিবহণ, পণ্যবাহী ট্রাক, গরু বোঝাই ট্রাক, প্রাইভেটকার, লোকাল বাস, আন্তঃজেলা পরিবহন, ইজিবাইক, নসিমন-করিমনসহ ছোট ছোট যানবাহন। এর ফলে শিমুলিয়া থেকে কাওড়াকান্দি ঘাটে নেমে ২/৩ কিলোমিটার পথ পায়ে হেটে যাত্রীদের গন্তব্যের গাড়িতে উঠতে হচ্ছে। এতেও নিস্তার নেই, আবার পড়তে হচ্ছে যানজটের কবলে।

অপরদিকে দেখা যায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঘাট এলাকায় তেমন তৎপরতা নেই। আবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পরিবহনগুলো রাস্তার ওপর রেখে যাত্রী তুলছে। সড়ক, মহাসড়ক ও সংযোগ সড়কের ওপর এলোমেলোভাবে পরিবহন রাখায় যানজট প্রকট আকার ধারণ করেছে। কাওড়াকান্দি ঘাট থেকে পাঁচ্চর এ্যাপ্রোচ সড়কের সংযোগ সড়ক পর্যন্ত রাস্তাজুড়ে আটকে আছে অসংখ্য পরিবহন।

এদিকে তীব্র যানজটের কবলে পড়েছেন গরু ব্যবসায়ীরা। দুই দিন ধরে ঘাট এলাকায় আটকে রয়েছে প্রায় অর্ধশতাধিক গরুবোঝাই ট্রাক। যানজটের কবলে পরে দীর্ঘ সময় মহাসড়কে আটকে থাকতে হচ্ছে- এমন অভিযোগ গরু ব্যবসায়ীদের।

এ ছাড়াও পদ্মায় নাব্য সংকটে ফেরি চলাচল সীমিত হওয়ায় এ দূর্ভোগ বেড়েছে কয়েকগুণ। তা ছাড়াও স্পীডবোট ও দক্ষিণাঞ্চলগামী সকল যানবাহনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করায় যাত্রীরা দূর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। কাওড়াকান্দি ঘাটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করায় ঘাটের পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

এ ব্যাপারে শিবচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান আহমেদ বলেন, কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুট হয়ে সকাল থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের ঘরমুখো যাত্রীদের ঢল নেমেছে। যাত্রীদের নির্বিঘ্নে ঘরে ফেরা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ঘাটে অবস্থান করছে। কোন প্রকার যাত্রী হয়রানি হলে সাথে সাথে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কঠোর ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আনসার উদ্দিন বলেন, চাপ থাকলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ভাড়ার বিষয়টি সহনীয়ই রয়েছে। তবে অপর প্রান্ত থেকে যাত্রী শূন্য আসায় কিছুটা বেড়েছে।  


মন্তব্য