kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জামালপুরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

জামালপুর প্রতিনিধি    

১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:০৯



জামালপুরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট

জামালপুরে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট। ওই সব হাটে বেচা-কেনার সুবিধার্থে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ব্যাপক জোরদার করেছে স্থানীয় প্রশাসন।

এতে জেলার শতাধিক স্থায়ী ও অস্থায়ী হাটে ক্রেতা-বিক্রেতারা স্বাচ্ছন্দে বেচা-কেনা করছেন কোরবানির পশু।

জামালপুরের বিভিন্ন হাটে সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার মাহমুদপুর, মেলান্দহ, ইসলামপুর, কয়লাকান্দি, ও বটতলা গো হাটগুলোতে গরু, ছাগল, মহিষ ও ভেড়া আমদানি প্রচুর হয়েছে। এসব হাটে ২০ হাজার টাকা থেকে লাখ টাকা দামের গরুই উঠছে। ৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা দামের ছাগল আমদানিও গতবারের চেয়ে বেশী। দাম গত বছরের তুলনায় এবার একটু বেশী। আর দাম বেশী হওয়ায় অনেকেই এখনো কোরবানির পশু ক্রয় করতে পারেনি।

জামালপুরের হাটগুলোতে এ বছর ভারতীয় গরু না উঠলেও দেশী গরু আমদানি হয়েছে গত বছরের তুলনায় বেশী। তাই দেশের বিভিন্ন স্থানের বেপারীরা জামালপুর থেকে পশু ক্রয় করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বড় বড় হাট গুলোতে নিয়ে যাচ্ছে।

জামালপুর শহরের বটতলা হাটে গরু বিক্রেতা কৃষক আব্দুল খালেক, সবজল, শহিদুর, সন্দেশ ও রহমত আলীর কথা হলে তারা জানান, এবারের বন্যায় জেলার সর্বত্রে গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। গরু মোটা-তাজা করণের খাদ্যের দামও বেশী। সব ধরনের গো খাদ্যের দাম বেশী হওয়ায় এ বছর পশু পালনে তাদের খরচ অনেক বেশী হয়েছে। তাই দামও একটু বেশি।  

অপরদিকে কোরবানির গরু ক্রেতা আব্দুর রহিম, আনোয়ার হোসেন, সোহরাব হোসেন ও সুমন মিয়ার সাথে কথা হলে তারা জানান, গতবারের চেয়ে তুলনামূলকভাবে এবার গরু ছাগলের দাম অনেক বেশী। তাই তারা অনেকেই নিদিষ্ট বাজেটে কোরবানির পশু ক্রয় করতে হিমসিম খাচ্ছেন।  

এদিকে স্থানীয় প্রশাসন এ বছর জেলার প্রতিটি পশুর হাটে পূর্বের যেকোন সময়ের তুলনায় নিরাপত্তা জোরদার করেছে বলে হাটের ইজারাদাররা জানিয়েছেন।


মন্তব্য