kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


রাবি শিক্ষককে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:৩৬



রাবি শিক্ষককে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) গণযোগযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আকতার জাহানের মৃত্যুর ঘটনায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আজ শনিবার বিকেল ৫টায় ওই শিক্ষকের ছোট ভাই কামরুল হাসান রতন বাদী হয়ে নগরীর মতিহার থানায় এ মামলা দায়ের করেন।

 

মতিহার জোনের সহকারী কমিশনার একরামুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ‘সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী ও প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা মতে মৃতদেহের সাথে আমার বোনের স্বহস্তে লিখিত একটি সুইসাইড নোট পাওয়া গেছে ,যা বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে। সেই নোটের হাতের লেখা যে আকতার জাহানের নিজ হাতের লেখা তা তাঁর বিভাগের সহকর্মী ও পুলিশ কর্মকর্তারা প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত করেছেন। ওই নোট থেকে স্পষ্ট প্রতীয়মান হয় যে তিনি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কারো না কারো দ্বারা প্ররোচিত হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। ’ 

আত্মহত্যায় প্ররোচনাকারী/প্ররোচনাকারীদের খুঁজে বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এজাহারে অনুরোধ করা হয়েছে। তবে সরাসরি কোনো আসামির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

এর আগে আকতার জাহানের আবাসিক কক্ষ থেকে ওই সুইসাইড নোটটি উদ্ধার করে পুলিশ। সেখানে বলা হয়, ‘আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। শারীরিক ও মানসিক চাপের কারণে আমি আত্মহত্যা করলাম। সোয়াদকে যেনো তার বাবা কোনো ভাবেই নিজের হেফাজতে নিতে না পারে। যে বাবা সন্তানের গলায় ছুরি ধরতে পারে, সে যেকোনো সময় সন্তানকে মেরেও ফেলতে পারে বা মরতে বাধ্য করতে পারে। আমার মৃতদেহ ঢাকায় না নিয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে দেওয়ার অনুরোধ করছি।

উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক শিক্ষকদের জন্য নির্ধারিত জুবেরী ভবনের ৩০৩ নম্বর কক্ষের দরজা ভেঙে অচেতন অবস্থায় শিক্ষক আকতার জাহানকে উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরে তাঁকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক আকতার জাহানকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার তিন দিন আগে থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলেন তিনি।


মন্তব্য