kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজটে ভোগান্তির সীমা নেই

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) প্রতিনিধি   

৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৬:২৫



ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজটে ভোগান্তির সীমা নেই

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা  গৌরীপুর থেকে মেঘনা গোমতী সেতুর গজারিয়া অংশ পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিলোমিটার এলাকায় তীব্র যানজট রয়েছে। গাড়ী পিপড়ের গতিমত চলছে।

গত বৃহস্পতিবার রাত ১টা থেকে এ যানজট সৃষ্টি হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল পোনে ২টাটার দিকে দাউদকান্দির স্বল্প পেন্নাই এলাকা থেকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে তীব্র যানজট দেখা যায়। এ যানজটের ফলে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে আছে ঈদে ঘরমুখো মানুষ আর কোরবানী পশুবাহী যানবাহন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, শত শত যানবাহন আটকে অছে আর মেঘনা-গোমতী সেতুর ওপর দিয়ে পিপড়ার মত ধীর গতিতে চলছে গাড়ি। চার লেন থেকে সেতুতে এসে দুই লেন পাওয়ায় গাড়ির গতি কমে যায়। আবার অনেক পুরনো লক্কড় ঝক্কড় গাড়ি গুলো সেতুতে উঠতেই হঠাৎ ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।

দাউদকান্দির কানড়ায় চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ইউনিক পরিবহনের বাসের চালক মিজান মিয়া, ঈগল পরিবহনের বাসের চালক মহিউদ্দিন আহম্মেদ, চাঁদপুর থেকে ছেড়ে আসা পদ্মা পরিবহনের বাসের চালক মোহন মিয়া সঙ্গে কথা হয়। তারা জানান, ৩ দিন ধরে দাউদকান্দির গৌরীপুর থেকে সোনারগাঁয়ের মেঘনা সেতুর পশ্চিম প্রান্ত যানজট লেগেই থাকে। মাত্র ৩০ কিলোমিটার পথ পাড় হতে ৪ থেকে ৮ ঘন্টা সময় লাগছে।

দাউদকান্দি হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, চার লেনের গাড়িগুলো দুই লেন সেতুর ওপর দিয়ে ধীর গতিতে যাওয়ার সময় যানজটের সৃষ্টি হয়। বিকল্প ব্যবহারের জন্য নির্মাণধীন মেঘনা, গোমতী ও কাচঁপুর সেতু নির্মাণ কাজ শেষ হলেই আর যানজট থাকবে না। তাছাড়া মহাসড়কে ওজননিয়ন্ত্রণক (স্কেল) মিশিন না থাকায় অতিরিক্ত মালবোঝাই গাড়িগুলো সেতুর ওপর উঠেই বিকল হয়ে পড়ে। যার কারণেই সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজটের।  


মন্তব্য