kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রবাসীর ডাকাতি করা মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ২৩:২৩



প্রবাসীর ডাকাতি করা মালামাল উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫

চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে এক প্রবাসীর ডাকাতি করা মালামাল নগরী ও বান্দরবান থেকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। টানা তিন দিন অভিযান চালিয়ে মালামাল উদ্ধারের সঙ্গে সঙ্গে ডাকাতির সাথে জড়িত অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত পাঁচজন হলেন- নূর উদ্দিন (২৫), মো. হেলাল (২৯), মো. শুক্কুর (২২), কামরুল হাসান ওরফে কাজল (২৩) ও মো. ছাদেক রেজা (২৩)।

এ ব্যাপারে আজ বুধবার গণমাধ্যমকে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (দক্ষিণ) একে এম এমরান ভূঁইয়া জানান, মাইক্রোবাসে করে বশিরুলরা বাড়ি ফিরছিলেন। তিনি বলেন, পটিয়া উপজেলার মোজাফ্ফরাবাদ এলাকায় তাদের বহনকারী মাইক্রোবাসটিকে অন্য একটি মাইক্রোবাস দিয়ে গতিরোধ করে ডাকাতরা। এরপর প্রবাসীর মাইক্রোবাসটির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ডাকাতরা চট্টগ্রাম নগরীতে ঢুকতে শাহ আমানত সেতু এলাকায় পুলিশের চেকপোস্ট এড়ানোর জন্য কালুরঘাট সেতু ব্যবহারের পরিকল্পনা করে।

পুলিশ কর্মকর্তা এমরান বলেন, ডাকাতরা বোয়ালখালী উপজেলার শাকপুরা নুরুল হক ডিগ্রি কলেজের সামনে এসে প্রবাসীকে বহনকারী মাইক্রোবাস থেকে মালামালগুলো ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। এ সময় বোয়ালখালী থানা পুলিশের একটি টহল দল দেখে তাদের ঘটনাটি জানায় ভুক্তভোগীরা।

টহল দল বিভিন্ন স্থানে বিষয়টি জানিয়ে দিলে ডাকাত দলের গ্রেপ্তার সদস্যরা মাইক্রোবাসটি নিয়ে ফুলতল এলাকা দিয়ে নদীর পাড়ে চলে যায়। সেখান থেকে মালামালগুলো ট্রলারে করে নগরীতে নিয়ে আসে বলে জানান তিনি।

আজাদ নামে পালিয়ে থাকা ডাকাত দলের এক সদস্যের বাড়ি ওই ফুলতল নদীর পাড় এলাকায় জানিয়ে এমরান আরও বলেন, “মালামাল পাঠানোর পর তার মাকে রোগী সাজিয়ে মাইক্রোবাসটি নিয়ে নগরীতে রওনা দেয় আজাদ ও হেলাল।
পথে টহল পুলিশ মাইক্রোবাসটি আটক করলে সেখানে থাকা মহিলা অসুস্থ বলায় পুলিশ চালক হেলালের ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে গাড়িটি ছেড়ে দেয়। ”

পরে হেলালকে থানায় ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি ডাকাতির ঘটনা স্বীকার করে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এমরান ভূঁইয়া।

‍তিনি বলেন, নগরীর পাঁচলাইশ সুগন্ধা এলাকায় অভিযান চালিয়ে নূর উদ্দিন ও শুক্কুরকে এবং বান্দরবান সদর থেকে কাজল ও ছাদেককে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের কাছ থেকে লুট করা সৌদি রিয়াল, অলঙ্কার, দুইটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।  

এমরান আরো বলেন, গ্রেপ্তারকৃতদের নিয়ে অভিযান চলছে। সন্ধ্যায় আরও একটি স্বর্ণের চেইন উদ্ধার করা হয়েছে এবং আরও পাঁচ ভরি অলঙ্কার, দুইটি মোবাইল সেট উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।


মন্তব্য