kalerkantho

শুক্রবার । ৯ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নেত্রকোনায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্পে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

হাওরাঞ্চল প্রতিনিধি    

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৯:৩৩



নেত্রকোনায় শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্পে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার পাটরা দামপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া প্রকল্প দেখিয়ে বিদ্যালয়ের নাম পরিবর্তন করে কাজ না করেই গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণারেবক্ষণের (টিআর) কর্মসূচির অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ব্যাপারে ওই বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম গতকাল মঙ্গলবার ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা গেছে, গত ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচির আওতায় দ্বিতীয় পর্যায়ে বিভাগীয় কমিশনারের মাধ্যমে জেলা প্রশাসকের অনূকুলে জেলার পূর্বধলার পাটরা দামপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে লেট্রিন নির্মাণের জন্য বিশেষ বরাদ্দে ৫ মেট্টিক টন গম বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাসেম নিজেই প্রকল্প কমিটির সভাপতি সেজে পাটরা দক্ষিণপাড়া উচ্চ বিদ্যালয় নাম দিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও সদস্যদের না জানিয়ে ভুয়া প্রকল্পের নামে প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন। তবে এ উপজেলায় পাটরা দক্ষিণপাড়া  নামে কোন উচ্চ বিদ্যালয় নেই। কিন্তু এ বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে। পরে আবার এ বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষকের পক্ষ নিয়ে এলাকার একটি বিশেষ মহল তৎপর হয়ে উঠে।

এদিকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম তদন্ত করে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গতকাল মঙ্গলবার দুর্নীতি দমন কমিশনের উপ-পরিচালক ময়মনসিংহ বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

তবে পাটরা দামপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবুল কাসেম তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন দাবি করে কালের কণ্ঠকে বলেন, প্রকল্প থেকে যে টাকা পাওয়া গেছে, তা দিয়ে পুরাতন লেট্টিন সংস্কার করা হয়েছে। সভাপতি ও কয়েকজন সদস্য মিলে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলেছেন। কমিটির লোকজন চেয়েছিল প্রকল্পের টাকা ভাগাভাগি করার জন্য। আমি রাজি না হওয়ায় তারা আমার বিরুদ্ধে এ অভিযোগটি করছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন ময়মনসিংহের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে কালের কণ্ঠকে বলেন, বিষয়টি যাছাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে।


মন্তব্য