kalerkantho

শনিবার । ৩ ডিসেম্বর ২০১৬। ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুট দিয়ে ফিরতে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ

মাদারীপুর প্রতিনিধি    

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৮:০৪



কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুট দিয়ে ফিরতে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ

ঈদের পাঁচ দিন বাকি থাকতেই কাওড়াকান্দি-শিমুলিয়া নৌরুট দিয়ে ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। পদ্মা পারাপারে বিড়ম্বনার কথা চিন্তা করেই অনেক মানুষ ঢাকা ছাড়তে শুরু করেছে।

তবে এখনো ঘাটে তেমন কোন ভিড় নেই।

এদিকে, কাওড়াকান্দি ঘাটের তিনটি ঘাট সচল থাকায় গরুবোঝাই ট্রাক ও যাত্রী পারাপারে অধিক গুরুত্ব দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। লৌহজং টার্নিং পয়েন্টে নাব্যতা সংকটের কবলে পড়ে ফেরিগুলো ডুবোচরে আটকে যাচ্ছে। ফলে এ নৌরুটে চলাচলরত ফেরিগুলো যাত্রীসহ কম যানবাহন নিয়ে পারাপার করছে।    

কাওড়াকান্দি ঘাট সূত্র জানা গেছে, নাব্যতা সংকট অচিরেই দূর না হলে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরা চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে পারে। নৌ-চ্যানেলের লৌহজং টার্নিংয়ে এখন পানি বইছে মাত্র ছয় ফুট ওপর দিয়ে। সাধারণত ফেরি চলাচল করতে হলে অন্তত সাত ফুট উচ্চতায় পানি প্রবাহের প্রয়োজন।

বিআইডাব্লিউটিএ'র প্রায় একমাস ধরে ছয়টি ড্রেজারের মাধ্যমে নাব্যতা সংকট নিরসনে পদ্মার পলি অপসারণের কাজ করে যাচ্ছে। তবে চলতি বছর প্রকট আকার ধারণ করেছে নাব্য সংকট। ইতিমধ্যে এ রুটের একটি চ্যানেলের ড্রেজিং শেষ হওয়ায় ফেরিগুলো ওয়ান-ওয়েতে চলাচল করছে। বর্তমানে রো-রো ফেরি চললেও ফেরি চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ায় রাতে রো-রো ও ডাম্প ফেরি বন্ধ থাকছে।

সঠিকভাবে ড্রেজিংয়ের কাজ শেষ করতে পারলে কয়েক দিনের মধ্যেই নাব্যতা সংকট দূর করা যাবে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। লঞ্চ মালিক সমিতি কাওড়াকান্দি ঘাটের সভাপতি মো. আতাহার বেপারী জানান, ৪-৫ দিন আগেও নাব্যতা সংকটের কারণে  লৌহজং পয়েন্টে ১২ লঞ্চের তলার পাখা ভেঙে গেছে।

 


মন্তব্য