kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০১৬। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


'চৈত্র-বৈশাখেও ১০ টাকা কেজিতে চাল পাবেন হতদরিদ্ররা'

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৬ ১৫:০৭



'চৈত্র-বৈশাখেও ১০ টাকা কেজিতে চাল পাবেন হতদরিদ্ররা'

ভাদ্র, আশ্বিন ও কার্তিক মাসে হতদরিদ্র শ্রমজীবী মানুষের কোনো কাজ থাকে না। কিনে খাওয়ার সামর্থ্যও তাদের নেই।

তাই এই তিন মাস তাদের জন্য কেজি প্রতি ১০ টাকা দরে চালের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া চৈত্র-বৈশাখ মাসেও এই দামে চাল পাবেন হতদরিদ্ররা। আগে কুড়িগ্রামে মঙ্গা ছিল। এখন আর মঙ্গা হয়না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি দেখেছি, মানুষের কী অবস্থা, পায়ে স্যান্ডেল আছে কিনা, পেটে ভাত আছে কিনা, ঘর আছে কিনা। আমরা দরিদ্রদের জমি দেবো, ঘরবাড়ি দিবো। যারা ক্ষুধার্ত তাদের খাবার দেবো। জাতির পিতার স্বপ্ন ছিল, একদিন বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ২০২১ সালে আমরা সুবর্ণজয়ন্তী করবো। ২০২১ সালে এ দেশ হবে ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সমৃদ্ধশালী সোনার বাংলাদেশ। আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে খাদ্য বান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে সকাল পৌনে ১১টায় তাকে বহনকারী হেলিকপ্টার চিলমারীতে পৌঁছায়। চিলমারীর থানাহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার বাংলাদেশ, ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ- এ স্লোগান নিয়ে হতদরিদ্র মানুষের জন্য বুধবার চিলমারীর থানাহাট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ থেকে শুরু হচ্ছে পল্লী রেশনিং কার্যক্রম। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় সারা দেশের ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেওয়া হবে। পল্লী রেশনিং কার্ডধারীদের বছরে ৫ মাস দেওয়া হবে এ খাদ্য সহায়তা। কুড়িগ্রাম জেলার নয় উপজেলার এক লাখ ২৫ হাজার ২৭৯ পরিবার এ সুবিধার আওতায় আসবে।

 


মন্তব্য